DBC News
আদালতে গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিরা, কঠোর নিরাপত্তা

আদালতে গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিরা, কঠোর নিরাপত্তা

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের বিশেষ আদালতে হাজির করা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে এই মামলায় রায় দেবেন আদালত। 

পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে অস্থায়ী বিশেষ আদালতে বহুল আলোচিত এ মামলার বিচারকাজ চলেছে। আজ বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

সকাল পোনে ৭ টার দিকে কাশিমপুর ১, ২ ও হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টুসহ অন্যান্য আসামিদের কড়া নিরাপত্তায় ঢাকায় পাঠানো হয় বলে জানায় কারা কর্তৃপক্ষ।  

এদিকে, আদালত প্রাঙ্গণসহ রাজধানী জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, '২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে ঘিরে রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রায়কে কেন্দ্র করে অরাজকতার চেষ্টা করা হলে, জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না, জনগণকে নিরাপত্তা দিতে আমাদের যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। কেউ নাশকতা চালানোর চেষ্টা করলে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে।' 

অন্যদিকে, এই রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ১৪ বছর আগের ওই হামলায় আহতদের অনেকেই সেখানে হাজির হয়েছেন। এ হামলায় জড়িতদের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন তারা। পাশাপাশি নাশকতা ঠেকাতে সজাগ রয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে আদালত এলাকায় মিছিল করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এসময় সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন জানান, ন্যায় বিচারের আশা করছেন তারা।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট, মুফতি হান্নানের নেতৃত্বে ১২ জন জঙ্গি আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা করে। এই হামলার জন্য ৫২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। যাদের মধ্যে অন্য মামলায় তিন আসামির ফাসি কার্যকর হয়েছে। বাকী ৪৯ জনের মধ্যে ১৮ জনই পলাতক, অন্যরা সবাই কারাগারে আটক। পলাতক আসামিদের মধ্যে আছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আসামিদের মধ্যে বর্তমানে কারাগারে আছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ডিজিএফআই-এর সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার, এনএসআই-এর সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ৩১ আসামি।

আরও পড়ুন

মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক টেলি কথোপকথনের সূত্র ধরে বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনেছেন কুমিল্লার দাউদক...

বিএনপি নেতা মোশাররফ ও আইএসআই'র ফোনালাপ ফাঁস

বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা-আইএসআই-এর একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে।  বিএনপির এই নেতা আইএসআই এর...

মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক টেলি কথোপকথনের সূত্র ধরে বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনেছেন কুমিল্লার দাউদক...

বিচারপতির প্রতি অনাস্থা জানালেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা

খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা বৈধতার প্রশ্নে হাইকোর্টের তৃতীয় বিচারপতির প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন, তাঁর আইনজীবীরা। এ বিষয়ে, আগামী সোমবার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক কর...