DBC News
আসামিদের রক্ষায় নষ্ট করা হয় হামলার আলামত

আসামিদের রক্ষায় নষ্ট করা হয় হামলার আলামত

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার বেশকিছু আলামতও নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। আদালতে দেয়া সম্পূরক অভিযোগপত্রে আলামত নষ্টের বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়েছে আসামিদের রক্ষা করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ডিএমপির পূর্ব বিভাগের সাবেক ডিসি মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান খান ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার  সঙ্গে জড়িত আসামিদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেননি। দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকা হলেও ডিএমপি দক্ষিণ বিভাগের সাবেক ডিসি, আসামি খান সাঈদ ২২শে আগষ্ট কারাগারের ভেতরে পাওয়া আর্জেস গ্রেনেডের বিষয়ে কোনো মামলা করাননি এবং গ্রেনেড সংরক্ষণ না করে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ধ্বংস করিয়েছেন।

তখনকার ডিএমপি কমিশনার ও আশরাফুল হুদা সম্পর্কে সম্পূরক অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘটনার দিন তিনি বিদেশ চলে যান। দেশে ফেরত এসে গ্রেনেড হামলার ঘটনার সময় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের অবহেলার কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, পুলিশের তৎকালীন আইজি তার অফিসের ৫০০ গজের মধ্যে ঘটনাস্থল হলেও সেখানে যাননি।

ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মিজানুর রহমান দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিতে চাইলে তিনি তাকে সেটা করতে দেননি।

এ বিষয়ে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, 'প্রকৃত আসামিদের আড়াল করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছে। কখনও বলা হয়েছে, পার্শ্ববর্তী দেশের বা বন্ধু রাষ্ট্রের থেকে এই অপরাধ সংগঠিত করা হয়েছে আবার কখনও বলা হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী অপরাধ সংগঠিত করিয়েছেন।'

মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সংঘটিত এ হামলায় জজ মিয়াকে ঘটনার অন্যতম হোতা হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা হয়।

আলচিত সেই জজ মিয়া বলেন, 'আমাকে ক্রসফায়ার দেয়ার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর যখন আমি বলেছিলাম যে আমাকে ক্রসফায়ার দিয়েন না, আপনারা যেভাবে বলবেন, আমি সেভাবেই আপনাদের কথা শুনবো।'

আর বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির তদন্তও ছিল নামকাওয়াস্তে। মুফতি হান্নান ও তার সহযোগী বিপুলের স্বীকারোক্তির পরও তখনকার সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি, আসামি খোদা বক্স চৌধুরী, বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান মামলার প্রকৃত আসামিদের বাঁচানোর উদ্দেশ্যে মুফতি হান্নান ও তার সহযোগীদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখাননি।

আরও পড়ুন

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী নিহত

রান্নার সময় গ্যস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন। গাজীপুরের ইসলামপুর রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বুধবার ইফতারের পর রান্না করার গ্যাস লা...

'ব্যর্থ হলে সিএনএস কোম্পানির সঙ্গে রেলের কোনো সম্পর্ক থাকবে না'

অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছে ঈদ উপলক্ষ্যে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি। আর অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রথম দিনেই যাত্রীদের অনলাইনে টিকিট কিনতে না পারার ঘটনা...

কার্বাইড দিয়ে পাকানো ৪০০ মণ অপরিপক্ক আম ধ্বংস

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন আড়তে অভিযান চালিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বাজারে আসা ৪০০ মণ আম ধ্বংস করেছে র‌্যাব। এ সময়, এসব ক্ষতিকারক আম বিক্রির অপরাধে ৯...

মানহীন ৫২টি পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

মানহীন ৫২টি পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। বাজার থেকে এসব পণ্য প্রত্যাহার না করায় ঢাকা দক্ষিণ বিশুদ্ধ খাদ্য আদাল...