DBC News
জাতীয় নির্বাচন: চাঁদপুর-৩ আসনে ব্যস্ত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা

জাতীয় নির্বাচন: চাঁদপুর-৩ আসনে ব্যস্ত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা

সারাদেশের মতো একাদশ জাতীয় নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে চাঁদপুর-৩ আসনে। বড় দুই দল, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিতে রয়েছেন একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী। দলের সমর্থন পেতে কেন্দ্রে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তারা।

চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলা নিয়ে চাঁদপুর-৩ আসন। বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার দীপু মনি। তৃতীয়বারের মতো দলের মনোনয়ন পাবেন বলে অনেকটাই নিশ্চিত তিনি।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘কোনও স্বপ্নই আসলে অধরা থাকে না, যদি মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকে। সেটি আমরা গত সাড়ে ৯ বছরে প্রমাণ করতে পেরেছি। আবারও যদি জনগণ তাদেরকে সেবা করার সুযোগ দেন, তবে সব স্বপ্নগুলো আমরা অবশ্যই পূরণ করতে পারবো।’

তবে, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে কাজ করছেন কেন্দ্রীয় কমিটির দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন।

আওয়ামী লীগ ত্রাণ ও সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেন, ‘দল সিদ্ধান্ত নিবে নির্বাচনে কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে। তবে দীর্ঘদিন ধরে যেহেতু মানুষের সাথে আছি, মানুষই মূল্যায়ন করবে।’

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে দায়িত্ব দেন নির্বাচন করার জন্যে তার সেই আদেশ মানতে হবে। আর যদি না দেন, যাকে দিবেন তার পক্ষে আমরা আছি।’

মসৎজীবী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান খান বোরহান বলেন, ‘মানুষ আমাকে আশান্বিত করেছে। আমি মানুষের জন্যই কাজ করি। আমি আশাবাদী চাঁদপুর-৩ আসনের মানুষদের সেবার কাজ করার জন্য।’

আর বিএনপির মনোনয়ন পেতে দলীয় হাইকমান্ডের সাথে যোগাযোগ রাখছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ও সাবেক পৌর মেয়র শফিক ভূঁইয়া। 

চাঁদপুর বিএনপি আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, ‘চাঁদপুরের সন্তান হিসেবে আমি মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য। তবে তারপরও দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার পক্ষেই আমরা কাজ করবো।’

এই আসনে ১৯৯১ সাল থেকে এই পর্যন্ত তিন বার আওয়ামী লীগ ও তিন বার বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।