DBC News
মানব সম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ ১০৬তম

মানব সম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ ১০৬তম

মাবন সম্পদ উন্নয়নে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের ২০১৮ সালের মানবসম্পদ সূচক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।  সূচক অনুযায়ী, ১৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৬তম। ভারত ও পাকিস্তান ১১৫ ও ১৩৪ তম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্য সেবার বিদ্যমান মান বিবেচনা করলে বাংলাদেশের শিশুরা ভারত ও পাকিস্তানের শিশুদের চেয়ে বেশি উৎপাদনশীল।  বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের যৌথ বার্ষিক সভায় এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিশ্বব্যাংক বলছে, মানব সম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ ভালো করেছে। আরও ভালো করার সুযোগ রয়েছে। কেননা প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে থাকলেও, অন্য দেশগুলো আরও অনেক ভাল করছে। 

বিশ্বব্যাংকের করা নতুন মানবসম্পদ সূচক হিউম্যান ক্যাপিটাল ইনডেক্স অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে শিশুর মৃত্যুহার রোধ এবং নারী উন্নয়নে ঈর্ষর্ণীয় সাফল্য পেয়েছে দেশটি। ফলে প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান বিশ্ব ব্যাংক-আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল,আইএমএফ বার্ষিক সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ব ব্যাংকের এই ‘মানবসম্পদ সূচক’ বলছে, এই সূচকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকার দরিদ্র দেশগুলো। বিশ্ব ব্যাংকের সদস্য ১৫৭ দেশের মধ্যে সবচেয়ে পেছনে রয়েছে ‘শাদ’ আর ‘সাউথ সুদান’। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ মানব সম্পদ উন্নয়নে, ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় এগিয়ে আছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা। সূচকের শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও হংকং।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি শিশু আদর্শ অবস্থায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার পূর্ণ সুযোগ পেয়ে বেড়ে উঠতে পারলে পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পর তার উৎপাদনশীলতা যে অবস্থায় পৌঁছানোর কথা, বাংলাদেশে জন্ম হলে তার উৎপাদনশীলতা হবে তার ৪৮ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতে এই হার ৪৪ শতাংশ, পাকিস্তানে ৩৯ শতাংশ, মিয়ানমারে ৪৭ শতাংশ। আর শ্রীলঙ্কায় ৫৮ শতাংশ, আর নেপালে ৪৯ শতাংশ।

সূচকের শীর্ষে থাকা দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুরে এই হার ৮৮ শতাংশ, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ৮৪ শতাংশ। কানাডায় এই হার ৮০ শতাংশ, জার্মানিতে ৭৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৭৮ শতাংশ, যুক্তরষ্ট্র ও ফ্রান্সে ৭৬ শতাংশ, রাশিয়ায় ৭৩, চীনে ৬৭ শতাংশ, তুরস্কে ৬৩ শতাংশ, ব্রাজিলে ৫৬ শতাংশ। আর সূচকের একেবারে নিচে থাকা শাদে এই হার ২৯ শতাংশ, সাউথ সুদানে ৩০ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশে পাঁচ বছরের বেশি বয়স পর্যন্ত টিকে যাওয়া শিশুর হার ৯৭ শতাংশ। ভারতে এই হার ৯৬ শতাংশ, পাকিস্তানে ৯৩ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৯৯ শতাংশ।
 

আরও পড়ুন

ব্যারিস্টার মঈনুলকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান

সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে 'চরিত্রহীন' বলায় ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন আরও ১৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক। শুক...

১৭৭ রোহিঙ্গা পুনর্বাসিত, দাবি মিয়ানমারের

১৭৭ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের যে দাবি করেছে মিয়ানমার, সে বিষয়ে বাংলাদেশকে কিছুই জানানো হয়নি। এমনটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। শুক্রবার টেলিফোনে...

ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত অর্ধশতাধিক

ভারতের অমৃতসরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করছে দেশটির পুলিশ। দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা দুই শতাধিক। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে উদ্...

মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের

মধ্য আমেরিকার দেশগুলোর অভিবাসন প্রত্যাশীদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মেক্সিকো সরকার পদক্ষেপ না নিলে, সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্...