DBC News
টাইগার ওয়ানডে স্কোয়াডে পাঁচ পেসার

টাইগার ওয়ানডে স্কোয়াডে পাঁচ পেসার

ক্রিকেটে ঘাসের উইকেটে পেসাররাই রাজা। গতির সঙ্গে সুয়িংয়ের দারুণ ভেলকিতে বোকা বানান ব্যাটসম্যানদের। মুগ্ধ নয়নে তা উপভোগ করেন দর্শকরা। এদেশে যা ভাবাই যায় না। তবে ওমন প্রতিবন্ধকতার মাঝেও পেসারদের কেউ ছাড়িয়েছেন নিজেকে। পেয়েছেন তারকা খ্যাতিও। 

সময়টা ২০১৫..ঘরের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে ধুমকেতুর মতো আবির্ভাব নতুন এক পেসারের। ৫ উইকেট নিয়ে একাই ধসিয়েছিলেন ভারতের ইনিংস। একের পর কাটারে ভ্যাবাচেকা খেয়েছেন ভারতের ব্যাটিং এক্সপার্টরা।পরের মাসেই সাদা পোষাকে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেক। এরপর সময় গড়িয়েছে। ইঞ্জুরির ফাড়ায় কয়েকবার ছিটকে গেছেন দল থেকে।ওয়ানডে দলে নিয়মিত মুখ হলেও মোস্তাফিজ, সাদা পোষাকে ম্যাচ খেলেছেন মোটে ১২টা। তাতে অবশ্য দায় আছে দলেরও। দেশের উইকেট স্পিন বান্ধব হওয়ায় সুযোগ কমছে পেসারদের। উইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে দলে থেকেও  বল করেছেন মাত্র ৪ ওভার। আর শেষ টেস্টে তো কোন পেসারই নেয়া হয়নি। ব্রেক থ্রু বোলার হিসেবের তার খ্যাতি আছে বেশ। নতুন-পুরোনো দুই বলেই দারুণ অ্যাটাকিং তিনি।

আরেক টাইগার পেসার রুবেল হোসেনের ওয়ানডে ডেব্যু ২০০৯ সালে। পুরোনো বলে তার জুড়ি মেলা ভার। দেশের হয়ে খ্যাতি আছে গতিতে বল করার। এখন পর্যন্ত রঙ্গিন পোষাকে খেলেছেন ৯৩টি ম্যাচ। উইকেট পেয়েছেন ১১৮টা। ২০০৯ সালেই টেস্টে নাম লেখেন। ২৬ ম্যাচে উইকেট ৩৩টি। প্রায় ১০ বছরের ক্যারিয়ারে নিজের জায়গাটা কি এখনো পাকা করতে পেরেছেন রুবেল? 

দেশের পেসারদের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। অভিষেক হয়েছিলো টেস্ট ম্যাচ দিয়ে। তবে একের পর এক ইনজুরিতে ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদার ফরম্যাট অনেক আগেই ছেড়েছেন। টি-টোয়েন্টিকেও বিদায় বলেছেন দুই বছর আগে। শুধুই খেলছেন ওয়ানডে ক্রিকেট। এখন প্রস্তুত হচ্ছেন নিজের শেষ হোম সিরিজ খেলতে। আর ক্যারিয়ারটা ইতি টানতে পারেন ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০১৯ খেলেই। নতুন বলে ব্রেক-থ্রু আনতে এখনো সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন পেসার মাশরাফী। 

টাইগারদের পেস আক্রমনে বড় ভরসা হয়ে উঠতে পারতেন তাসিকন। বিতর্কিত বোলিং অ্যাকশনের পর ইনজুরিতে ক্যারিয়ারটাই কেমন যায় যায়।

বাংলাদেশের পেস আক্রমনে নয়া সংযোজন আবু হায়দার রনি, খালেদ আহমেদ, আবু জায়েদ রাহি ও সাইফুদ্দিন। তবে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে মাশরাফী-রুবেল-ফিজের সঙ্গী রনি ও সাইফুদ্দিন। 

স্পিন সহায়ক উইকেটে দেশের মাটিতে ভালো করলেও বিদেশে গিয়ে খাবি খায় ব্যাটসম্যানরা। পিছিয়ে থাকেন টাইগার পেসাররাও। যে কারণে বলা হয়ে থাকে বিশ্বের লিজেন্ড পেসার কোর্টনী ওয়ালশ কোচ হিসেবে থেকেও বোলারদের বাড়ছে না আত্মবিশ্বাস।