DBC News
আবারো ট্রাম্পের জরুরি অবস্থার হুঁশিয়ারি

আবারো ট্রাম্পের জরুরি অবস্থার হুঁশিয়ারি

মার্কিন কংগ্রেসের সমর্থন না পেলে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের খরচ বরাদ্দ নিশ্চিতে আবারো জরুরি অবস্থা জারির হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার, মেক্সিকো সীমান্ত পরিদর্শনের সময় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এছাড়া, সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য মেক্সিকোকে পরোক্ষভাবে অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।

এরআগে, বুধবার মার্কিন সরকারে আংশিক অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে ও দেয়াল নির্মাণের খরচ বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা করতে ডেমোক্র্যাটিক দুই নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। তবে, কোনো কার্যকরি সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়।

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের অর্থ দিতে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ও সিনেটের সংখ্যালঘু অংশের নেতা চাক শুমার অস্বীকৃতি জানানোর পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই বৈঠক থেকে বেরিয়ে আসেন। তিনি পরে শীর্ষ দুই ডেমোক্র্যাট নেতার সঙ্গে বৈঠককে ‘সময় নষ্ট’ হিসেবেও অভিহিত করেন।

ট্রাম্প পরে টুইটারে জানান, ‘চাক আর ন্যান্সির সঙ্গে বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসেছি। পুরোপুরি সময় নষ্ট। আমি তাদের জিজ্ঞেস করেছিলাম, ৩০ দিনের মধ্যে কী হবে, যদি আমি খোলামেলা বলি, তোমরা কি দেয়াল বা ইস্পাতের বেষ্টনীসহ সীমান্ত নিরাপত্তায় বরাদ্দ দিতে রাজি হবে? ন্যান্সি বলল, না। আমি বলেছি বাই বাই, কোনোকিছুই কাজ করছে না।'

এদিকে, দেশটিতে চলমান আংশিক অচলাবস্থার কারণে ২০দিন ধরে বিনা বেতনে রয়েছেন প্রায় আট লাখ সরকারিকর্মী।

নির্বাচনি প্রচারে দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে কংগ্রেসের কাছে সীমান্ত নিরাপত্তা বাবদ মোট ৫৭০ কোটি ডলার চেয়েছেন। জানুয়ারি থেকে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেয়া ডেমোক্র্যাটরা অবশ্য শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। তারা বলছে, দেয়াল হলেও সাধারণ জনগণের করের টাকায় এটি নির্মাণ করতে দেয়া হবে না।

এ নিয়ে মতবিরোধে অর্থ বিল অনুমোদিত না হওয়ায় গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে।

অচলাবস্থার শিকার অনেক সরকারি কর্মী এরই মধ্যে তাদের দুর্দশার চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। অনেকে চাকরি ছেড়ে অন্য কোথাও থিতু হওয়া যায় কি না সে চিন্তাও করছেন।