DBC News
৭ বছরেও শেষ হয়নি সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত

৭ বছরেও শেষ হয়নি সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত

সাত বছরে পুলিশ ও র‌্যাব-এর ছয় কর্মকর্তার হাত ঘুরলেও, শেষ হয়নি সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত। কবে তদন্ত শেষ হবে, আর কবে অভিযোগপত্র দেয়া যাবে, সে বিষয়েও সুর্নিদিষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তারা।

চাঞ্চল্যকর এই মামলায় যে আটজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, তার মধ্যে দু'জন জামিনে বেরিয়ে গেছেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা শহিদার রহমান। মামলাটিতে গ্রেপ্তার হয়ে এখন কারাগারে রয়েছেন ওই বাড়ির নিরাপত্তা রক্ষী এনাম ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ ও আবু সাইদ।

রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমান ও বাড়ির দারোয়ান পলাশ রুদ্র পাল জামিনে বাইরে রয়েছেন।

হত্যাকান্ডের সপ্তম বছর পূর্তির আগে তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, 'ময়নাতদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষাসহ তদন্তের প্রয়োজনে যে সব পরীক্ষা করা হয়েছিল, সবগুলোর ফলাফল তারা পেয়েছেন। বিদেশে করা পরীক্ষার ফলাফলও তাদের হাতে এসেছে।'

তবে, এসব পরীক্ষার কী ফলাফল পাওয়া গেছে-জানতে চাইলে ‘তদন্তের স্বার্থে’ এখন কিছু বলতে রাজি হননি এই র‌্যাব কর্মকর্তা। বিদেশে পাঠানো আলামতের ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে দেশে চালানো বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল মিলিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগপত্র কবে নাগাদ দিতে পারবেন-প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। চার্জশিট দেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করে দিনক্ষণ দেয়ার সুযোগ নেই। সময় হলে চার্জশিট দেয়া হবে।‘

আদালতের নিয়মে আগামী ১৭ই ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন রয়েছে। তবে, এই পর্যন্ত আদালত থেকে ৬৩ বার সময় নিয়েছেন, তদন্ত কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। দু'জনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ওই রাতে তারা ছাড়া ঘরে ছিল তাদের একমাত্র শিশুসন্তান।

হত্যাকাণ্ডের পর রুনির ভাই মো. নওশের আলম রোমানের করা মামলাটি প্রথমে তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম। তার কাছ থেকে তদন্তের দায়িত্ব যায় ডিবির পরিদর্শক রবিউল আলমের কাছে। এরও ৬২ দিন পর ডিবি আদালতের কাছে ব্যর্থতা স্বীকার করলে, ২০১২ সালের এপ্রিলে তদন্তের দায়িত্ব আসে র‌্যাবের ওপর। এরপর, র‌্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তার হাত ঘুরে তদন্তভার আসে র‌্যাবের এএসপি শহিদার রহমানের কাছে।

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দিনটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন। প্রতিবারই কর্মসূচিতে বিচার শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

আরও পড়ুন

ঢাবি'র ভর্তি জালিয়াতি: অভিযুক্তদের তালিকা সিআইডি'র কাছে

অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডিকে তালিকা দেয়ার পাশপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেরাও ৯১ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জালিয়াতি...

আজ পবিত্র শবেবরাত

আজ রবিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত বা লাইলাতুল বরাত। সারা বিশ্বে মুসলমানরা এই রাতকে ভাগ্য রজনী হিসেবে পালন করেন। এ রাতটি বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অত...

নুসরাত হত্যা ঘটনায় আরও একজন গ্রেপ্তার

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই। গ্রেপ্তার ইফতেখার উদ্দিন...

প্রশ্নপত্রে পর্নো তারকার নাম: খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে

রাজধানীর রাককৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্রের বহু নির্বাচনি প্রশ্নপত্রে (এমসিকিউ) দু'টি প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তরে দুই পর্নো তারকার নাম এস...