DBC News
নাইকো দুর্নীতি মামলায় আদালতে খালেদা; পরবর্তী শুনানি ২০শে ফেব্রুয়ারি

নাইকো দুর্নীতি মামলায় আদালতে খালেদা; পরবর্তী শুনানি ২০শে ফেব্রুয়ারি

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য ২০শে ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন, আদালত। আজ মঙ্গলবার, বেলা সাড়ে ১২ টায় রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে, বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের এজলাসে এ শুনানি শুরু হয়ে দুপুর ২টার দিকে শেষ হয়।

শুনানিতে অংশ নিতে আজ আদালতে যান বেগম খালেদা জিয়া। এ সময় চিকিৎসার ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন করেন বিএনপি নেত্রী।

এর আগে, গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারি মামলার অন্যতম আসামি বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের আংশিক অভিযোগ গঠন শুনানি হয়। ওই দিন তার (মুওদুদ) পক্ষে শুনানি শেষ না হওয়ায় বিচারক ১২ই ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেন। এছাড়া চলতি বছরের ৩রা, ১৩ ও ২১শে জানুয়ারি এ মামলার শুনানি হয়।

নাইকো দুর্নীতি মামলা নথি থেকে জানা যায়, কানাডীয় প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০০৭ সালের ৯ই ডিসেম্বর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এরপর, ২০০৮ সালের ৫ই মে এই মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন, দুদকের সহকারী পরিচালক এসএম সাহেদুর রহমান।

নাইকো দুর্নীতি মামলার আসামিরা হলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন।

এই মামলায় পলাতক তিন আসামি হলেন- সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ই ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন। মামলা করার পরের বছর ৫ই মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যথাক্রমে দশ ও সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন খালেদা জিয়া। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন খালেদা জিয়া।

আরও পড়ুন

চলে গেলেন সোনালী কাবিন খ্যাত কবি আল মাহমুদ

সোনালী কাবিন’ খ্যাত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি আল মাহমুদ আর নেই। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ১১ টা ৫ মিনিটে মারা যান তি...

আইসিসিকে সহায়তার আশ্বস

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতার প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক আদালত, আইসিসির টিম পাঠানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ...

মহাসড়কের বিপজ্জনক খুঁটি দ্রুত সরাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

সারা দেশের সড়ক ও মহাসড়কে থাকা বিপজ্জনক খুঁটি দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন, হাইকোর্ট। বিপজ্জনক অবস্থানে থাকা সব ধরনের খুঁটি আগামী ৬০ দিনের মধ্যেই অপসারণের ন...

নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে বিএনপি'র আরও ৫ মামলা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ও নির্বাচিত প্রার্থীর বিজয় চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছেন বিএনপির ৭২ প্রার্থী। ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনকে...