DBC News
শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের কাজ শুরু আগামী শীত মৌসুমে

শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের কাজ শুরু আগামী শীত মৌসুমে

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হবে আগামী শীত মৌসুমে। এ মাসেই পূর্বাচলের জমি নিজেদের দখলে নেবে বিসিবি। শেষ হতে সময় লাগবে দু বছর।প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন গ্রুপের প্রথম মিটিং শেষে এ তথ্য জানান বিসিবি গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম। দেশের অন্যান্য স্টেডিয়াম গুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এই সভায়।

দেশের অন্যতম তো বটেই বিশ্বের মধ্যে সুন্দরতম এক স্টেডিয়াম করার লক্ষ্য বিসিবির। পূর্বাচলে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম কেমন হবে এরই মধ্যে তার ধারণাও দিয়েছে বোর্ড ।  যার অর্থায়নসহ পুরো প্রকল্পই বাস্তবায়ন হবে বিসিবির অধীনে।

প্রকাশ করা হয়েছে সম্ভাব্য নকশা। রাজউকের কাছ থেকে জমিও বুঝে পেয়েছে কয়েক মাস আগে। এবার দৃশ্যমাণ কাজ শুরু করতে যাচ্ছে বিসিবি।

বিসিবি গ্রাউন্ডস কমিটি চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম জানান, ‘আশা করছি এই মাসের মধ্যেই এই মাঠের পজিশন আমরা লাভ করবো। পজিশন পেলেই আমাদের কাজ গতি সম্পন্ন হবে এবং একটা আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার মধ্যে আসবে। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টেন্ডার পদ্ধতিতে সব কাজ পরিচালনা করা হবে।’

কবে নাগাদ দরপত্র আহ্বান কিংবা কাজ শুরু করা হবে, তার নির্দিষ্ট করে জানায়নি প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন গ্রুপ। তবে, আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্য বিসিবির।

বিসিবি গ্রাউন্ডস কমিটি চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম জানান, ‘কি কি করা সম্ভব সেই প্রক্রিয়াটা আমরা করে ফেলেছি। এখন এটাকে আরও পূর্ণাঙ্গভাবে ডিজাইনের মাধ্যমে আমাদের আগাতে হবে। স্টেডিয়ামের বাহ্যিক কাজ আগামী শীত মৌসুমের আগে করা হবে না। আমরা আশা করছি, যখন কাজ শুরু হবে, তার থেকে দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার প্রচেষ্টা থাকবে।’

এক স্টেডিয়াম নির্মাণ করতে গিয়ে বাকি ভেন্যুগুলোর কথা ভুলেই গেছে বোর্ড। ইন্টারন্যাশনাল স্টাটাস হারাতে বসেছে ফতুল্লা স্টেডিয়াম। থমকে আছে কক্সবাজার শেখ কামাল স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজ। হোম অব ক্রিকেট শেরে বাংলায়ও ভাঙ্গাচুরা বসার সিট এমনকি প্রেস বক্সের অবস্থাও বাজে। বিসিবির সেই খোড়া যুক্তি।

বিসিবি মিডিয়া কমিটি চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানান, ‘এগুলোর আসলে মেরামত করার প্রয়োজন আছে। এনইসি’র আওতায় এগুলো আছে। আমরা খালি লিজ নিয়েছি। তারা বলেছে এগুলো মেরামত করার দায়িত্ব তাদের। তারা সম্ভবত খুব শীঘ্রই একটা টেন্ডার প্রসেসে যাবে’