DBC News
মার্কিন সিনেটর হয়ে চার দশক পর জন্মভূমিতে বাজিতপুরের চন্দন

মার্কিন সিনেটর হয়ে চার দশক পর জন্মভূমিতে বাজিতপুরের চন্দন

জিএসপি সুবিধা পুনর্বহাল, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ যেকোনো সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে পাশে থাকতে চান, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি সিনেটর শেখ মোজাহিদুর রহমান চন্দন। ডিবিসি নিউজের সঙ্গে আলাপকালে, মার্কিন নীতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার প্রত্যয় জানান, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডিস্ট্রিক্ট-৫ এর এই সিনেটর। লক্ষ্য স্থির করে, পরিশ্রম করে গেলে সফলতা আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভায় প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম বাংলাদেশি শেখ মোজাহিদুর রহমান চন্দন। কিশোরগঞ্জের সন্তান চন্দন ১৯৮১ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ভর্তি হন নর্থ ক্যারোলাইনায় ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়ায়। সেখানেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি। দুই বছর আগে, প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ডেমোক্রেটিক দলের জাতীয় কমিটির কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হন। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে নজরে আসেন। গত নভেম্বরে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডিস্ট্রিক্ট-ফাইভ এর সিনেটর নির্বাচিত হন শেখ রহমান।

চার দশক পর জন্মভূমিতে এসে নিজের সফলতার গল্প শোনালেন মার্কিন এই সিনেটর।

শেখ মোজাহিদুর রহমান বলেন, 'সবারই একটা স্বপ্ন থাকা উচিত। সেই স্বপ্নটা কিভাবে সফল করা যায় তার জন্য কাজ করা উচিত। ওপরে উঠতে গেলে বা একটা কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই। কিন্তু বাধাটা যেন আপনাকে একেবারে থামিয়ে না দেয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।'

মার্কিন মূলধারার রাজনীতিক হলেও, বাংলাদেশের ভাল-মন্দে পাশে থাকতে চান তিনি। মার্কিন এ সিনেটর বলেন, 'বাংলাদেশ হোক আর যে দেশই হোক যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই সন্ত্রাসবাদের বিপক্ষ্যে। তবে, যুক্তরাষ্ট্র সব সময় বাংলাদেশের সঙ্গে আছে। বাংলাদেশের সন্তান তাই দেশের জন্য কিছু করতে পারলে অবশ্যই করব এতে কোনো বাধা নেই।'

সারা বিশ্বে অভিবাসী হিসেবে থাকা বাংলাদেশিদের, লাল-সবুজ পতাকাকে আরো উঁচুতে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে মন্তব্য করে মার্কিন এই রাজনীতিক বলেন, 'আমাদের বাঙালি যারা বিদেশে যাচ্ছেন অভিবাসী হিসেবে বা পড়ালেখা করতে যাচ্ছে, দেশের সম্মান রাখান জন্য ভালো কাজ বা সুন্দর কাজের সঙ্গে থাকতে হবে।'

গভর্নর বা তার চেয়েও বড় পদে যাবার আকাঙ্খা থাকলেও, এখন নিজের কাজটুকুই শতভাগ করে যেতে চান মার্কিন সিনেটর কিশোরগঞ্জের শেখ মোজাহিদুর রহমান চন্দন।