DBC News
আইপিও কোট কমছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগে

আইপিও কোট কমছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগে

পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আইপিও কোটা কমলে প্রাইমারি মার্কেটে কোটা সুবিধার অপব্যবহার বন্ধ হবে। আর বাজার থেকে বারবার টাকা বের হয়ে যাওয়ার মত ঘটনাও থাকবে না, বলছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তবে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এভাবে অনুৎসাহিত করা হলে বাজারে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ কমতে পারে বলে ভিন্নমতও রয়েছে। 

পুঁজিবাজারে আসা নতুন কোম্পানির আইপিওর জন্য তুমুল চাহিদা রয়েছে বিনিয়োগকারীদের। তাই কোটাভিত্তিক লটারি করে বরাদ্দ দেয়া হয় আইপিও শেয়ার।

এবার সেই কোটায় প্রাতিষ্ঠানিকদের কমিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সুযোগ বাড়াতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিএসইসি। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিকদের জন্য থাকছে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগেরও বাধ্যবাধকতা। এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে বাজার বিশ্লেষকদের।

ডিএসই সাবেক সহ সভাপতি  আহমেদ রশীদ লালী জানান, 'এ গুলোর মাধ্যমে বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। ১০ শতাংশ কোটা কমিয়ে দেয়া হয়েছে।  যদি সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ না থাকলে, এটাতে আবেদন করতে পারবেন না। এ গুলো বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করছে। বিনিয়োগ যত উন্মুক্ত থাকবে তত ভালো।'

এদিকে আর্থিক বিবরণীতে গরমিলের অভিযোগে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের নির্দেশে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের বিষয়ে তদন্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে আইসিএবি'র। এমন অবস্থায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ না করলেও অভিযুক্ত কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করেছে চট্টগ্রাম স্টক স্টক এক্সচেঞ্জ।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের এমন সিদ্ধান্ত অসঙ্গতিপূর্ণ বলছেন অনেকে। তবে এতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার আইন লংঘন হয়নি। সে কথাও বলছেন কেউ কেউ। তবে কপারটেকের বিষয়ে এখন বিএসইসি'র কাছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে চেয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।