DBC News
নতুন বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যপূরণ বড় চ্যালেঞ্জ

নতুন বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যপূরণ বড় চ্যালেঞ্জ

দেশের ইতিহাসের ৪৮তম বাজেট বৃহস্পতিবার, নতুন অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট। আর আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতায় ১১তম বাজেট। তাই প্রত্যাশাটা একটু বেশি। অবশ্য সেই প্রত্যাশা পূরণই এক বড় চ্যালেঞ্জ নতুন অর্থমন্ত্রীর। তবে, নতুন বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণকেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। ধারাবাহিকতা থাকায় বড় বাজেটের গুণগত বাস্তবায়নও চান তারা।

আসছে বাজেটে কোনো প্রকার বাড়তি করের বোঝা চায় না সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি নতুন ভ্যাট আইন বা শুল্কহার বাড়ানোর কারণে পণ্যের দাম বাড়ুক তাও চান না তারা। একই সাথে, সরকারের কাছে উন্নয়ন প্রত্যাশার পারদটাও বেশ উঁচুতে।

সাধারণ মানুষের আশা, যে সমস্ত উন্নয়ন কর্মকান্ড সরকার হাতে নিয়েছে সেগুলো যাতে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পন্ন করা হয়।

ট্যাক্স দেয়ার ক্ষেত্রে কৃপণতা কিন্তু উন্নয়নের প্রত্যাশা রয়েছে আকাশচুম্বি। এই বাস্তবতায় বিশ্লেষকরা মনে করেন এবারের বাজেটেও রাজস্ব নিয়েই বড় চ্যালেঞ্জে পড়বেন অর্থমন্ত্রী।

বিশাল এ বাজেটের বিষয়ে পিআরআই এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এই বাজেট এর আকার বড়, কিন্তু মানে ছোট। এই বাজেটে জিডিপির ১৯ শতাংশ পূরণ হওয়ার কথা থাকলেও ১৭ শতাংশও পূরণ হবে না। বছর শেষে আমরা দেখব, ৩ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হওয়ার কথা থাকলেও ২ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকাও আদায় হবে না। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।'

গেল কয়েক অর্থবছর ধরে ধারাবাহিকভাবে ৭ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও অর্থনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন তার খুব বেশি সুফল পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'বিরাট একটা বাজেট করা হয়। কিন্তু বাজেটের মূল বিষয় হলো জনসাধারনের জীবনধারনের মান বাড়ছে কি না? স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা এসব ক্ষেত্রে মান বাড়ছে কি না তা দেখতে হবে। প্রবৃদ্ধি বাড়ছে, আয় বাড়ছে কিন্তু এগুলো শুধু সূচক মাত্র। এগুলো দিয়ে কিন্তু জনগণের সত্যিকারের জীবন ধারনের মান নির্ধারণ করা যাবে না।'

আগামীকাল সরকারের বতর্মান মেয়াদের প্রথম বাজেট হবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রাপ্তি আর আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলনের বাজেট এমনটাই প্রত্যাশা করেন সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন

‘ওষুধ শিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে’

ঢাকার ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এমন তথ্য বাস্তবতা বিবর্জিত বলে দাবি দোকান মালিকদের। এর পেছনে গভীর...

তামাক কোম্পানির স্বার্থে আইনে পরিবর্তন!

জুলাই থেকে কার্যকর, ২০১২ সালের ভ্যাট আইন পরিবর্তন করে তামাক কোম্পানিগুলোকে প্রায় ৪শ কোটি টাকা কর ছাড় দেয়া হয়েছে। বাজেটে সিগারেটের দাম যেটুকু বাড়ানো হয়েছে তাতে শ...

‘ওষুধ শিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে’

ঢাকার ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এমন তথ্য বাস্তবতা বিবর্জিত বলে দাবি দোকান মালিকদের। এর পেছনে গভীর...

তামাক কোম্পানির স্বার্থে আইনে পরিবর্তন!

জুলাই থেকে কার্যকর, ২০১২ সালের ভ্যাট আইন পরিবর্তন করে তামাক কোম্পানিগুলোকে প্রায় ৪শ কোটি টাকা কর ছাড় দেয়া হয়েছে। বাজেটে সিগারেটের দাম যেটুকু বাড়ানো হয়েছে তাতে শ...