DBC News
নজরদারিতে আসছে বেসরকারি হেলিকপ্টার সেবা

নজরদারিতে আসছে বেসরকারি হেলিকপ্টার সেবা

নজরদারিতে আসছে বেসরকারি হেলিকপ্টার সেবা। বাণিজ্যিক হেলিকপ্টার কারা ব্যবহার করছে, কী ধরনের পণ্য পরিবহণ করা হচ্ছে, নির্ধারিত গন্তব্য পরিবর্তন হচ্ছে কি-না, তার কোনো তথ্য নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। এসব নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাই বেসরকারি হেলিকপ্টারের যাত্রী ও ব্যাগেজ স্ক্যানিংসহ অবৈধ পণ্য পরিবহণ প্রতিরোধে নতুন নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।

৮টি বেসরকারি সংস্থার ২৮ থেকে ৩০ টি হেলিকপ্টার বানিজ্যিকভাবে চলছে। বেসরকারি হেলিকপ্টারগুলোর গন্তব্য, যাত্রী কারা এবং কী ধরনের পণ্য পরিবহন হচ্ছে তা যাচাই বাছাইয়ের কোন ব্যবাস্থা নেই, নেই ব্যাগেজ তল্লাশির উপায়। মাঝপথে কোথাও অবতরণ করছে কিনা, সেটাও দেখার কেউ নেই। এ পরিস্থিতিতে অবৈধ পণ্য পরিবহনের সুযোগ বেড়ে যায়। এর আগে হেলিকপ্টারে রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রে অনেক সময় রোগী পরিবর্তনের নজীরও রয়েছে। বেসরকারি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অবৈধ পণ্য পরিবহন প্রতিরোধে সুপারিশ প্রণয়নে এ সভায় এমন তথ্যই তুলে ধরে র‌্যাব।

র‌্যাব লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহামুদ খান বলেন, এই সেবাটা ডিজিটালাইজড করার জন্য আলোচনা হয়েছে। ডিজিটালাইজড হলে কোন ক্যাটাগরির লোকজন এটি ভাড়া নিচ্ছেন তাদের সম্পর্কে সম্পুর্ন তথ্য থাকবে।

বেসরকারি হেলিকপ্টার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ফ্লাইট পরিচালনার আগে সিভিল এভিয়েশনকে ফ্লাইট প্ল্যান দিলেও তা ম্যানুয়ালি করা হচ্ছে। মন্ত্রনালয়ের কথায় এখন অটোমেশনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সচিব মোকাব্বির হোসেন বলেন, সিভিল অ্যাভিয়েশন একটি ডিভাইস তৈরি করছে যার মাধ্যমে তারা যেখানে যাওয়ার অনুমতি নিয়েছে সেখানে না গিয়ে অন্য কোন পয়েন্টে নামলে তা আমরা মনিটর করতে পারবো।

নিরাপত্তার জন্য খুব শিগগিরই হেলিকপ্টারগুলোর যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সুপারিশগুলো কার্যকর করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, এই সেক্টর যাতে কোন রকম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে না আসে বা নিষিদ্ধ কোন জিনিস যাতে পরিবহণ করতে না পারে তা আমরা আমাদের নজরে আনবো।

১৯৯৯ সালে বাংলাদেশে বেসরকারি উদ্যোগে প্রথম বাণিজ্যিক হেলিকপ্টার সেবা চালু হয়।