DBC News
কোরবানির মহিষের আক্রমণে কয়েকজন আহত, গুলি করেও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি

কোরবানির মহিষের আক্রমণে কয়েকজন আহত, গুলি করেও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি

টাঙ্গাইলে কোরবানির মহিষ জবাইয়ের সময় উঠে দৌঁড় দেয়। ধরতে গেলে মানুষের উপর আক্রমণ করে। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন দুই জন।

পরে ঘাটাইল ও ভূঞাপুরের কয়েকটি গ্রামের মানুষ ধরতে চেষ্টা করে। বিকেলের দিকে ভূঞাপুরের কাগমারীপাড়া বিলে আশ্রয় নেয় মহিষটি। ভূঞাপুর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ মহিষটি ধরতে আপ্রাণ চেষ্টা করে। এক রাউন্ড গুলি ও করা হয়। এতেও কাজ না হলে উৎসক জনতার কয়েকজ মহিষটির কাছে গেলে এর আক্রমণে দুইজন গুরুতর আহত হন।

রাতভর মহিষটি ভূঞাপুরের কাগমারিপাড়া বিলে অবস্থান করে। পুলিশ সেটিকে ঘিরে রাখে যাতে আর কাউকে আহত করতে না পারে। পরে সকালে দিকে মহিষটি উপজেলার অলোয়া এলাকায় একটি বিলে অবস্থান নিয়েছে।

ঘাটাইল উপজেলার যুগিহাটি গ্রামের আরিফুল ইসলাম একটি মহিষ ক্রয় করেন কোরবানির জন্য। ঈদের দিন সকালে ঈদের নামাজ শেষে কোরবানি দেয়ার সময় মহিষটি উঠে আরিফ ও তার ভগ্নিপতিসহ ৫জনকে আহত করে মহিষটি রাস্তায় দৌঁড়াতে থাকে। এ সময় রাস্তায় বেশ কয়েজনকে আহত করে মহিষটি চলে আসে ভূঞাপুর উপজেলার কাগমারি পাড়া এলাকায়। সেখানে শুকুর মাহমুদ, আব্দুস সালামসহ কয়েকজনকে আক্রমণ করে মহিষটি। এদের মধ্যে একজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

দুপুরের পর থেকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মহিষের পেছনে ছুটেও সেটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। সন্ধ্যায় মহিষটি কাগমারি পাড়া বিলে অবস্থান করছে। ভূঞাপুর থানার উপ পরিদর্শক টিটু চৌধুরী বলেন, 'দুপুরের পর থেকে মহিষটি আটকের চেষ্টা করে যাচ্ছি আমরা। কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না। সেখানে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝুটন চন্দ অবস্থান করছেন।' 



ঝুটন চন্দ্র বলেন, 'মহিষটি সম্ভবত পাগল হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটি এখন বিপদজনক। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি পশুটিকে আটক করার জন্য। আজ মঙ্গলবার ট্রাকুলাইজার দিয়ে অবশ করার চেষ্টা করা হবে।'