বিবিধ

অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ে জার্নালিজম বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ‘অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’-এর জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সেমিনার, বিশেষ অ্যাওয়ার্ড প্রদান, কেক কাটা ও বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করা হয়। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, “সিটিজেন জার্নালিজম বর্তমান সময়ে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলেও এর সঙ্গে দায়িত্বশীলতা ও নৈতিকতার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তথ্য যাচাই ছাড়া যেকোনো সংবাদ প্রচার সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।”

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন। তিনি বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ইতিবাচক হলেও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা নিশ্চিত করা জরুরি।

 

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক (কী-নোট স্পিকার) হিসেবে বক্তব্য দেন যমুনা টেলিভিশনের পলিটিকাল এডিটর আলমগীর স্বপন। তিনি বলেন, সিটিজেন জার্নালিজম মূলধারার সাংবাদিকতার পরিপূরক শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে, যদি তা সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।

 

গেস্ট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ও চ্যানেল আই গ্রুপের ম্যাগাজিন ‘আনন্দধারা’র সম্পাদক রেজানুর রহমান। তিনি বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি তথ্যই সংবাদ নয়; বরং যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমেই তথ্যকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে।” এছাড়াও ডেইলি টাইমসের সাংবাদিক জসিম আহমেদ বলেন, সিটিজেন জার্নালিজম প্রান্তিক মানুষের কথা তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করলেও দায়িত্বহীনতা সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করে।

 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল কাইউম সরদার, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জুবায়ের আহমেদ এবং প্রভাষক কেয়া বোস ও ফরহাদ আলম।

 

আলোচনা সভা শেষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে সামনের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।

 

ডিবিসি/কেএলডি

আরও পড়ুন