এম.এ. জলিল অনন্ত, যিনি অনন্ত জলিল হিসেবেই সমধিক পরিচিত, একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, নায়ক ও ব্যবসায়ী। আজ তার জন্মদিন। ১৯৭৭ সালের এ দিনে মুন্সীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
৫ বছর বয়সে মায়ের মৃত্যুর পর তিনি ও তার বড় ভাই মুন্সীগঞ্জে বাবার কাছেই বড় হয়েছেন। রেডিও ফুর্তিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। এবিসি রেডিওকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আব্দুল জলিল নামের এক গৃহ শিক্ষকের অনুপ্রেরণায় তার বাবা অনন্ত জলিল নামটি রাখেন।
অনন্ত জলিল ঢাকার অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে ও লেভেল এবং এ লেভেল সম্পন্ন করেছেন। এরপর বিবিএ ও ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়ালেখা করেন।
১৯৯৯ সালে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ২০১০ সালে ‘খোঁজ-দ্যা সার্চ’ সিনেমার মাধ্যমে ঢালিউডের চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় তার। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো- খোঁজ- দ্যা সার্চ, হৃদয় ভাঙা ঢেউ, দ্যা স্পিড, মোস্ট ওয়েলকাম, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মোস্ট ওয়েলকাম ২, দিন- দ্যা ডে, দ্যা স্পাই, নেত্রী- দ্যা লিডার, কিল হিম ইত্যাদি।
মেরিল- প্রথম আলোসহ একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
এম এ জলিল অনন্তর পূর্ব পরিচয় হলো, তিনি একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। ১৯৯৯ সালে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী হিসেবে নিজে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। গার্মেন্টস ব্যবসার পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন নিজের প্রযোজনা সংস্থার মাধ্যমে। নতুনত্ব ও বৈচিত্র্য আনার জন্য রূপালীপর্দায় ঝুঁকেছেন অনন্ত জলিল।
অনন্ত জলিল সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ৩টি এতিমখানা নির্মাণ করেছেন। মিরপুর ১০ নং , বাইতুল আমান হাউজিং ও সাভার মধুমতি মডেল টাউনে আছে এতিমখানাগুলো। এ ছাড়াও সাভারের হেমায়েতপুরের ধল্লা গ্রামে সাড়ে ২৮ বিঘার উপর একটি বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন অনন্ত জলিল। তিনি ঢাকার হেমায়েতপুরে অবস্থিত বায়তুস শাহ জামে মসজিদের নির্মাণকাজেও অবদান রাখেন।
অনন্ত জলিলের স্ত্রীর নাম আফিয়া নুসরাত বর্ষা। ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জনক তিনি। তারা হলেন আরিজ ইবনে জলিল ও আবরার ইবনে জলিল।
ডিবিসি/রূপক