বাংলাদেশ

আগামীকাল শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

আগামীকাল ২১ এপ্রিল (মঙ্গলবার) থেকে সারা দেশে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত।

সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পাদনের লক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে আটটা থেকে কেন্দ্রে প্রবেশের পরামর্শ দেওয়া হলেও, পরীক্ষা কক্ষের আসন গ্রহণের ক্ষেত্রে বোর্ডের নির্দিষ্ট নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

 

প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে এবং প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী তা শেষ হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা কক্ষে নিজ নিজ আসনে বসতে হবে। পরীক্ষার নিয়মানুযায়ী প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের মাথায় রাখতে হবে যে, এই দুই অংশের পরীক্ষার মাঝে কোনো বিরতি দেওয়া হবে না। এছাড়া সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক- সব অংশেই পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে।

 

পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে গাণিতিক হিসাবের সুবিধার্থে পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। উত্তরপত্রের ওএমআর (OMR) ফরম পূরণের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং বিষয় কোড যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে। বোর্ড সতর্ক করে জানিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষার্থীরা কেবল তাদের নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়েই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন, ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ হতে হলে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে আলাদাভাবে পাস করতে হবে।

 

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। প্রবেশপত্র বিতরণে কোনো জটিলতা তৈরি হলে এর দায়ভার প্রতিষ্ঠানপ্রধানকেই নিতে হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে আগামী ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত নিজ নিজ কেন্দ্রেই ব্যবহারিক পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষার মতো বিষয়গুলোর ধারাবাহিক মূল্যায়নের প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে, যা ব্যবহারিক নম্বরের সাথে অনলাইনে বোর্ডে পাঠানো হবে। সবশেষে, পরীক্ষা শেষে ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীরা চাইলে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

 

ডিবিসি/পিআরএএন

আরও পড়ুন