বিনোদন

আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন আবুল হায়াত

হ্যাপী মাহমুদ

ডিবিসি নিউজ

বুধবার ১৬ই নভেম্বর ২০২২ ০২:৫৭:০০ পূর্বাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নন্দিত অভিনেতা ও নির্মাতা আবুল হায়াতের প্রাপ্তির ঝুলিতে যুক্ত হচ্ছে আরও একটি সম্মাননা। আজীবন সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন মঞ্চ, বেতার, টিভি ও চলচ্চিত্রের গুণী এ অভিনেতা।

আসছে ১৮ই নভেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো প্রদান করা হবে ‘দীপ্ত অ্যাওয়ার্ড ২০২২’। সেখানে একক, ধারাবাহিক নাটক, ডাবিং সিরিয়াল ও দীপ্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে আলোচিত কনটেন্টের মধ্য থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রথমবারেই ‘আজীবন সম্মাননা’ পাবেন আবুল হায়াত।  

সংস্কৃতির নানা দিকে নিজেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন আবুল হায়াত। ১০ বছর বয়সে একটি মঞ্চনাটকে তার প্রথম অভিনয়। এরপর মঞ্চ, রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন- সব মাধ্যমেই সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি লিখেছেন অসংখ্য নাটক, পরিচালনাও করেছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০টি বইও প্রকাশিত হয়েছে তার।

সৃষ্টিশীল কাজে আবুল হায়াতের এই দীর্ঘ যাত্রাপথে তিনি পেয়েছেন অসংখ্য পদক ও পুরস্কার। ১৮ই নভেম্বর টিভি চ্যানেলটির সপ্তম বর্ষপূর্তি। দিনটিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্রদান করা হবে ‘দীপ্ত অ্যাওয়ার্ড ২০২২’। চ্যানেলটিতে প্রচারিত একক, ধারাবাহিক নাটক, ডাবিং সিরিয়াল ও দীপ্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আলোচিত কনটেন্টের মধ্য থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হবে।

১৯টি ক্যাটাগরিতে দর্শক তার বিবেচনায় সেরা নাটক ও অভিনয়শিল্পীদের ভোট দিতে পারবেন। দীপ্ত টিভির নিজস্ব ওয়েবসাইট লিংকে প্রাপ্ত দর্শকের ভোট ও জুরিবোর্ডের বিচার বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।

১৮ই নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় ‘দীপ্ত অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেলটি। অনুষ্ঠানটির নির্বাহী প্রযোজক ওয়াহিদুল ইসলাম শুভ্র।

আবুল হায়াতের জন্ম ১৯৪৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে। বাবার চাকরির সুবাদে বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রামে। দেশের সেরা বিদ্যাপীঠ বুয়েট থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী পদে চাকরি জীবন শুরু করলেও এক বছর পর ১৯৬৯ সালে অভিনয়ে নাম লেখান তিনি।

‘ইডিপাস’ নামের নাটক দিয়ে টেলিভিশনের পর্দায় অভিষেক হয় আবুল হায়াতের। এরপর থেকে নিয়মিত অভিনয় করছেন তিনি। অভিনয়ের বাইরে নির্মাতা আবুল হায়াতের বেশ সুনাম রয়েছে। 

 

এর বাইরে লেখক হিসেবেও সফল তিনি। তার লেখা প্রথম উপন্যাস ‘আপ্লুত মরু’ প্রকাশ হয় ১৯৯১ সালের বই মেলায়। এরপর ‘নির্ঝর সন্নিকট’, ‘এসো নীপ বনে’, ‘অচেনা তারা’, ‘জীবন খাতার ফুট নোট’ ও ‘জিম্মি’ বইগুলো লিখেছেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনে আবুল হায়াতের দুই মেয়ে বিপাশা হায়াত ও নাতাশা হায়াত। দুজনেই শোবিজের মানুষ। বিপাশার স্বামী তৌকীর আহমেদও একজন নন্দিত অভিনেতা-নির্মাতা। এছাড়া নাশাতার স্বামী শাহেদ শরীফ খানও জনপ্রিয় অভিনেতা।

আরও পড়ুন