জাতীয়

আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুতই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে: ইরানি রাষ্ট্রদূত

ডেস্ক প্রতিবেদন

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুতই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদী। তিনি বলেন, 'যুদ্ধাবস্থার জন্য অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে অপেক্ষায় আছে। বাংলাদেশের কিছু জাহাজও হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়েছে। আমরা বাংলাদেশকে সহযোগিতা করব। বাংলাদেশের জাহাজ ছাড়ার ব্যবস্থা করব ইনশাআল্লাহ। অতি দ্রুত জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে ইনশাআল্লাহ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলাপ করে আমরা ব্যবস্থা নেব।'

রবিবার (১২ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ আয়োজিত 'ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের শহীদ শিক্ষার্থীদের স্মরণ: মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধাপরাধের বিচার ও জবাবদিহিতা দাবি'- শীর্ষক এক শোক সমাবেশ ও যুদ্ধাপরাধবিরোধী প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইরানি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।


এ সময় তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। বাংলাদেশকে আমরা ভাইয়ের দেশ হিসেবেই মনে করি। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের কোনো শত্রুতা নেই।'

 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্ততায় আলোচনার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদী বলেন, 'যুদ্ধ বিরতির আলোচনার ব্যবস্থা করার জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে ওমানসহ যারা আমাদের সহযোগিতা করেছে, তাদেরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।'

 

তিনি বলেন, 'ইরান ইসলামাবাদে বলে দিয়েছে- মর্যাদার ভিত্তিতে আলোচনা হলে আলোচনা করবে, নয়তো তারা কোনো আলোচনা করবে না। আমরা আমেরিকাকে এই বার্তা দিয়েছি, তারা যদি মর্যাদার ভিত্তিতে আলোচনা করে তাহলে আমরা আলোচনা করব, নয়তো করব না।'

 

তিনি আরও বলেন, 'আর যতদিন পর্যন্ত আলোচনার জন্য যুদ্ধবিরতির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, ততদিন আমরা হামলা করব না। তবে আমেরিকা যদি যুদ্ধবিরতি না মেনে হমলা চালায়, তাহলে ইরানও হামলা করতে বাধ্য হবে।'


ইসলামাবাদ আলোচনার ফলাফল প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, 'আমরা এর আগেও আলোচনা করেছিলাম, তার মধ্যেও আমেরিকা আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা এবারও নিশ্চিত ছিলাম আমেরিকা আসলে আমাদের জন্য কোনো শান্তি বা শান্তি চুক্তির জন্য আসেনি। তারা মূলত বিশ্বের কাছে দেখাতে চেয়েছে যে তারা শান্তি চায় আর ইরান যুদ্ধ চায়।'

 

এ সময়ে ইরানের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে কর্মসূচি পালনের জন্য বিপ্লবী ছাত্র পরিষদকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রদূত। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, 'সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েল আজ ইরানের শিশুদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলছে। ইরানের স্কুলে বোমা হামলা চালিয়ে শিশুদের হত্যা করা বিশ্ববিবেকের ওপর চপেটাঘাত। আমরা এই বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের দাবি করছি।'


ডিবিসি/কেএলডি

আরও পড়ুন