ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচনায় ‘সামান্য অগ্রগতির’ খবরের মধ্যেই আবার ইরান সফর করছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতির কারণে সফরটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
সফরে ইরানের নবনিযুক্ত সামরিক ও নিরাপত্তা নেতৃত্বের সঙ্গে মুনিরের বৈঠক হতে পারে। আলোচনায় হরমুজ প্রণালি, হুতি হামলা এবং পাকিস্তান-সৌদি আরব-তুরস্কের মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি গুরুত্ব পেতে পারে। সম্প্রতি বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হুতি হামলায় তিন পাকিস্তানি নাবিক নিহত হওয়ায় বিষয়টি ইসলামাবাদের জন্য আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তান ছয় মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। তবে গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সমঝোতার মেয়াদ শেষ হলেও তা নবায়ন হয়নি। ইরান নৌ অবরোধ ও তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে; যুক্তরাষ্ট্র সেগুলো মানেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে পারলেও কোনো সমঝোতা কার্যকর করার ক্ষমতা তার সীমিত। কারও মতে, রাজনৈতিক মধ্যস্থতায় কাতারই প্রধান; মুনিরের গুরুত্ব মূলত ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে।
সফরের সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সাফল্য হতে পারে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমানো এবং ইরানকে আবার আলোচনায় ফেরানো। তা না হলে যোগাযোগ চালু থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন করে চাপ ও পাল্টা চাপের পথেই এগোবে।
ডিবিসি/ আরএফই