যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর মার্কিন যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের কুখ্যাত খামার জোরো র্যাঞ্চে নারী পাচার করে নিয়ে তাদেরকে যৌন হয়রানি করা হত বলে তদন্তে উঠে এসেছে। খামারটি নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের রাজধানী সান্তা ফে থেকে প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণে।
নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতারা সোমবার একটি আইন পাস করেছেন। তাঁরা বলছেন, এটি সেখানকার জোরো র্যাঞ্চ নামের খামারে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর প্রথম পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করার উদ্যোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সামনে এসে তথ্য ও সাক্ষ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনপ্রণেতারা।
২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে মারা যান কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক এপস্টিন। কর্তৃপক্ষ এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সাব্যস্ত করে। ওই সময় এপস্টিনের বিরুদ্ধে নারী পাচারসংক্রান্ত একটি মামলায় বিচারকাজ চলছিল।
তথাকথিত ‘সত্য অনুসন্ধান কমিশনে’ চারজন আইনপ্রণেতা রয়েছেন। তাঁরা এপস্টিনের ৭ হাজার ৬০০ একর আয়তনের খামারটিতে ভ্রমণকারী অতিথি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন। তাঁরা আশা করছেন, এর মধ্য দিয়ে খামারের মূল ভবন ও অতিথি ভবনে সংঘটিত যৌন নির্যাতনে কারা অংশ নিয়েছিলেন, তা জানা যাবে।
ডেমোক্রেটিক নেতৃত্বাধীন এই তদন্তে রাজনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে এবং এপস্টিনের অপরাধ উদ্ঘাটনের ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টিন সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। ওই সব নথিতে জোরো খামারে ঘটা নানা কর্মকাণ্ডের তথ্যও আছে।