ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, নির্বাচনে তার যাত্রা শেষ হয়ে যায়নি, বরং এটি আরও দীর্ঘ পথের সূচনা।
তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য একজন ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে দাবি আদায়ে সক্রিয় থাকবেন এবং প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
আজ বুধবার (১০ই সেপ্টেম্বর) আবিদ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আবিদ তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনের দিন গণমাধ্যমের অপপ্রচার দিয়ে তার দিন শুরু হয়েছিল এবং ভোটের সময় তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সকল অভিযোগের একটি সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ সমাধান প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, মাত্র ২০ দিনের প্রচারণায় আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি। হয়তো সবাইকে স্পর্শ করতে পারিনি, তবে যারা ভোট দিতে এসেছেন তাদের মন থেকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি স্বীকার করেন যে, একজন মানুষ হিসেবে তিনি অপূর্ণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য যথেষ্ট কাজ করার সুযোগ হয়তো জীবন তাকে দেয়নি।
নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি এখনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন ছাত্রনেতা। কথা দিচ্ছি, আমার নির্বাচনী ইশতেহারে যা কিছু ছিল, তা একজন ছাত্রনেতা হিসেবেই প্রশাসনের কাছ থেকে আদায় করে নিতে যা যা করা দরকার তা আমি করব।
তিনি আরও যোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির নতুন অধ্যায় তাদের হাত ধরেই শুরু হবে এবং তারা অতন্দ্র প্রহরীর মতো রাজপথ পাহারা দিয়ে বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন, যার প্রতিফলন আগামী ডাকসু নির্বাচনে দেখা যাবে বলে তিনি আশাবাদী।
পোস্টের শেষে তিনি "আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না" লিখে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ডিবিসি/এএমটি