ফুটবল

আর্জেন্টিনার সুবিধা পাওয়ার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বললেন স্কালোনি

খেলা ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ফিফা বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ কোয়ার্টার ফাইনালে আগামীকাল রবিবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটিতে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

তবে মাঠের লড়াইয়ের আগেই মাঠের বাইরের এক বিতর্ক নিয়ে উত্তপ্ত ফুটবলবিশ্ব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে বিশ্বকাপে রেফারিদের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে এই অভিযোগকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও মনগড়া বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার মতে, আধুনিক ফুটবলে ভিএআর (VAR) প্রযুক্তির যুগে কোনো নির্দিষ্ট দলকে রেফারিদের পক্ষে বাড়তি সুবিধা দেওয়া অসম্ভব।


শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে রেফারিংয়ের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্কালোনি বেশ দৃঢ়তার সাথেই জবাব দেন। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও মানুষ বলত আর্জেন্টিনা নাকি বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে।

 

এসব কথা আমাদের কাছে নতুন কিছু নয়। আমার যতটুকু মনে পড়ে, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা সবসময়ই এমন এক দল যাদের সবাই সমীহ করে চলে। এক অর্থে, এই সমালোচনাগুলো আমাদের খেলোয়াড়দের বোঝাতে সাহায্য করে যে, কিছু মানুষ আসলে চায় না আর্জেন্টিনা জিতুক। তিনি আরও যোগ করেন যে, এই ধরণের সমালোচনাকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং এটিকে মাঠে আরও ভালো খেলার অনুপ্রেরণা বা 'জেদ' হিসেবে নিচ্ছেন।

 

গত মঙ্গলবার শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে মিশরের একটি গোল বাতিলসহ রেফারির বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিশরীয় কোচ ও খেলোয়াড়েরা। বিশেষ করে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের সাথে ঘটা একটি ফাউলের ঘটনা নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।

 

এই প্রসঙ্গে স্কালোনি স্পষ্ট জানান, ’লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। সেটা সামান্য হোক বা বেশি, নিয়ম অনুযায়ী সেটি ফাউল। এখানে ভিন্ন ব্যাখ্যার সুযোগ নেই।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ২০২৬ সালে প্রযুক্তির এই চরম উৎকর্ষতার যুগে রেফারিদের পক্ষে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা সম্ভব নয় বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই ছোট বিষয়কে বড় করে দেখানো হচ্ছে।


ম্যাচের আলোচনার পাশাপাশি বিশ্বকাপের দীর্ঘ ভ্রমণ ও সূচি নিয়ে নিজের কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্কালোনি। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তাদের ভ্রমণ কিছুটা কম করতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রুপে দ্বিতীয় হলে পুরো যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা জুড়ে ভ্রমণ করতে হতো।


সরঞ্জাম সংক্রান্ত জটিলতায় একবার দুই ঘণ্টার ফ্লাইটের পর বিমানবন্দরে আরও এক ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়েছিল। হোটেলে পৌঁছাতে ভোর ৪-৫টা বেজে যাওয়ায় খেলোয়াড়দের বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটে। স্কালোনির মতে, সাধারণ মানুষ মনে করতে পারে যে এসবের কোনো প্রভাব নেই, কিন্তু খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্সে পর্যাপ্ত বিশ্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

ডিবিসি/আরপিডি

আরও পড়ুন