জেলার সংবাদ

আশুলিয়ায় পশুর হাটে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে দুই ব্যাপারীর সংঘর্ষে নিহত ১

সাভার প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ঢাকার আশুলিয়ায় কোরবানির পশুর হাটে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত হয়ে শহীদুল্লাহ কায়সার নামে এক গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বজনদের দাবি, মারধরের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শী ও হাট কমিটির দাবি, তিনি আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন এবং মারামারির একপর্যায়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত চলছে এবং অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহত শহীদুল্লাহ কায়সার ধামরাই উপজেলার মঙ্গলবাড়ি এলাকার মতিউর রহমানের ছেলে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সাভারের আশুলিয়া থানাধীন শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম কোরবানির পশুর হাটে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে দুই গরু ব্যবসায়ীর লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটে। পরে আহত অবস্থায় গরু ব্যবসায়ী শহীদুল্লাহ কায়সারকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং জানান, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

 

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ১৮টি গরু ও দুটি ছাগল নিয়ে হাটে গিয়েছিলেন শহীদুল্লাহ কায়সার, তার ভাগ্নেসহ কয়েকজন। হাটে গরু বাঁধা নিয়ে আরেক ব্যাপারীর সঙ্গে বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ভাগ্নেকে বাঁচাতে গিয়ে হাটে মারধরের শিকার হন শহীদুল্লাহ। হামলার সময় গরু ও ছাগল বিক্রির প্রায় ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা।

 

এদিকে হাট কমিটি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১২টার দিকে স্থানীয় নৈহাটি এলাকার এক ব্যক্তি তার এক আত্মীয়র গরু বাঁধতে গেলে শহীদুল্লাহর ভাগ্নে রনির সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে গড়ায়। খবর পেয়ে হাট কমিটির লোকজন সমঝোতার জন্য এগিয়ে আসেন। এ সময় হঠাৎ রনির মামা শহীদুল্লাহ কায়সার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

 

আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 


ডিবিসি/পিআরএএন

আরও পড়ুন