বাংলাদেশ, জাতীয়

আ. লীগের সময়ে করা ২৪ হাজার মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ অন্তর্বর্তী সরকারের

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের শাসনামলে দায়ের করা প্রায় ২৪ হাজার ‘রাজনৈতিক হয়রানিমূলক’ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা ও হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।

 

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশকৃত এই মামলাগুলোর বেশিরভাগই বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল। 

 

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে দায়ের হওয়া এসব মামলার মধ্যে মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে যে, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের এই কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।

 

মামলাগুলো যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর দুটি বিশেষ কমিটি গঠন করে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা কমিটি এবং আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি কাজ করছে। 

 

পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়। ভুক্তভোগী দলগুলোর সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি বিভিন্ন সময়ে ৩৯টি সভার মাধ্যমে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এসব মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করে।

 

কমিটির গঠনকাঠামো সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে চার সদস্যের জেলা কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরও আছেন পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকার জন্য ডিসি) ও পাবলিক প্রসিকিউটর। 

 

অন্যদিকে, আইন উপদেষ্টার নেতৃত্বে গঠিত ছয় সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটিতে আছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা), যুগ্মসচিব (আইন) এবং আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি। এই কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-১ শাখার উপসচিব বা সমমর্যাদার কর্মকর্তা।

 

ডিবিসি/এনএসএফ

আরও পড়ুন