দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মকর্তা হাসবি হাসিদ্দিক সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে টেলিফোনে জানান, মৃতদের মধ্যে ১৪ জন বাসের যাত্রী এবং ২ জন তেল ট্যাঙ্কারের কর্মী। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, সংঘর্ষের পর উভয় যানই দাউদাউ করে জ্বলছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চলন্ত অবস্থায় বাসের একটি টায়ার ফেটে যাওয়ায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর বাসটি সরাসরি ডিজেলবাহী ট্যাঙ্কারটিতে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মুহূর্তের মধ্যে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং উভয় যান ভস্মীভূত হয়ে যায়।
অন্য এক জরুরি বিভাগীয় কর্মকর্তার তথ্যমতে, আহত ৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের শরীরের অনেকটা অংশ পুড়ে যাওয়ায় প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়ছে।
ইন্দোনেশিয়ার বিশাল দ্বীপপুঞ্জ জুড়ে বাস, ট্রেন এবং এমনকি বিমান পরিষেবাতেও পুরোনো যন্ত্রাংশ এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। এর ফলে দেশটিতে মাঝেমধ্যেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
গত মাসে পশ্চিম জাভার বেকাসি তিমুর স্টেশনের কাছে একটি দূরপাল্লার ট্রেন স্থির দাঁড়িয়ে থাকা লোকাল ট্রেনের ওপর উঠে পড়লে ১৬ জন মহিলার মৃত্যু হয় এবং অন্তত ৯০ জন আহত হন। কয়েকদিন আগেই মধ্য জাভায় ট্রেনের ধাক্কায় একটি গাড়ির ৪ আরোহী নিহত হন, যাদের মধ্যে ২ জন শিশু ছিল।
সূত্র: এনডিটিভি
ডিবিসি/এসএফএল