পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই আবারও আলোচনায় বসতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী সোমবার থেকে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গতকাল (রবিবার) এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, ইরানের সাথে একটি কূটনৈতিক সমঝোতা অত্যন্ত কাছে চলে এসেছে। সোমবারের এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলমান সংকট সমাধানের একটি পথ উন্মোচিত হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, প্রস্তাবিত এই আলোচনার খবরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ওয়াশিংটনকে গত জুন মাসে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারকের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা স্মারকটিই ভবিষ্যতে তেহরানের বৈদেশিক নীতি ও বৈশ্বিক সম্পর্কের প্রধান 'কেন্দ্রবিন্দু' হিসেবে কাজ করবে।
একই সময়ে, হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরানের আলোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক নৌপথ দিয়ে যেন নিরাপদ ও স্বাভাবিক পণ্য ও জ্বালানি পরিবহন বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই আলোচনা চলছে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে একদিকে যখন কূটনীতির চেষ্টা চলছে, ঠিক তখনই গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলা অব্যাহত রয়েছে। রোববার গাজার বিভিন্ন এলাকায় চালানো হামলায় অন্তত ১৮ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, বিদায়ী জুলাই মাসে উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানির ঘটনা অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
সূ্এ: সিএনএন