আন্তর্জাতিক, আরব

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন কার্যক্রম শুরু ৪ জুলাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৬ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে দুই দিনব্যাপী বিদায় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৫টি শহর জুড়ে মোট ৬ দিনব্যাপী এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

খামেনি স্মরণ ও শেষযাত্রার কমিটির মুখপাত্র জানান, আগামী ৪ জুলাই (শনিবার) ও ৫ জুলাই (রবিবার) তেহরানের গ্র্যান্ড ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় বিদায় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির সূচনা হবে।


আগামী ৬ জুলাই (সোমবার) তেহরানে মূল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এই মিছিলে সর্বোচ্চ নেতার মরদেহের পাশাপাশি একই হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ আরও ৪ জনের মরদেহ বহন করা হবে। তারা হলেন— ড. মেসবাহ-অল-হোদা বাঘেরি, সৈয়দ বুশরা হোসাইনি খামেনেই, জাহরা হাদ্দাদ আদেল এবং জাহরা মোহাম্মদি গোলপায়গানি।


আগামী ৭ জুলাই (মঙ্গলবার) ইরানের পবিত্র নগরী কোমে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।


এরপর, ইরাকের বিভিন্ন উপজাতি, আলেম, বুদ্ধিজীবী এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের ক্রমাগত অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ জুলাই (বুধবার) খামেনির মরদেহ ইরাকে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে নাজাফ ও কারবালা শহরের পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে বিশেষ ধর্মীয় আচার ও শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ইরাক সরকার দেশটির অনুষ্ঠানগুলোর নির্দিষ্ট সময় ও স্থান ঘোষণা করবে বলে জানানো হয়েছে।


আগামী ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ইমাম সাজ্জাদ (আ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকীর রাতে ইরানের মাশহাদ শহরের পবিত্র ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে আয়াতুল্লাহ খামেনেই-এর দাফন সম্পন্ন হবে।


ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিনিধি দল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনেরা প্রয়াত এই নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ইরানে আসবেন। তাদের আগমন ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের সময়সূচি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।


এই স্মরণসভার মূল স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে "মাস্ট রাইজ" (অবশ্যই জেগে উঠতে হবে) এবং এর প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে "দৃঢ়বদ্ধ মুষ্টি"। তবে আরব দেশগুলোর জন্য আনুষ্ঠানিক স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে "কুমু লিল্লাহ" (আল্লাহর জন্য রুখে দাঁড়াও)।


উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি এক যৌথ আগ্রাসী হামলায় আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হন।


সূত্র: মেহর নিউজ


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন