ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা বা হত্যাকাণ্ড চালানো হলে পাল্টা সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই হুমকির পথ ধরেই এবার ইরানে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে যে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মূলত ইরানে হামলা চালানো হলে কোন কোন লক্ষ্যবস্তুগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান অবকাঠামোগুলো লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান হামলা চালানো।
তবে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এটিও স্পষ্ট করেছে যে, এখনই ইরানে কোনো হামলার নিশ্চিত পূর্বাভাস পাওয়া যায়নি। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের নতুন কোনো মোতায়েন বা সেনার মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যায়নি যা থেকে বোঝা যায় যে আলোচনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ। মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ওয়াশিংটন।
বিক্ষোভকারীদের ওপর বড় ধরনের কোনো দমন-পীড়ন চললে ট্রাম্প প্রশাসন যেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারে, সেই প্রস্তুতি হিসেবেই এই রণকৌশল সাজানো হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।
ডিবিসি/এএমটি