আন্তর্জাতিক

ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল: নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৪ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সোমবার বলেছেন, ইরান তার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল। তবে এই কথিত ষড়যন্ত্রটি কখন হয়েছিল, কোন ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বা এটি বাস্তবায়নের কতটা কাছাকাছি এসেছিল, সে সম্পর্কে তিনি কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

নেতানিয়াহুর এই অভিযোগটি গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সৃষ্ট তীব্র উত্তেজনার বিষয়টিকেই তুলে ধরেছে, যে যুদ্ধে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং অন্যান্য শীর্ষ ইরানি নেতারা নিহত হয়েছিলেন।

 

আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে জনমত জরিপে যার জোট পিছিয়ে আছে, সেই নেতানিয়াহু ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেন। দেশব্যাপী ভোটের আগে ইসরায়েলের একটি নিরাপত্তা সংস্থা একজন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে সুরক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এমন খবরের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

 

‘আমার ছেলেদের কথা বলতে গেলে, এখানে এমন কিছু ঘটেছে যা একেবারেই অবিশ্বাস্য। ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে, খুন করার চেষ্টা করেছে,’ সরকারের অনুকূল সংবাদ পরিবেশনের জন্য পরিচিত একটি রক্ষণশীল চ্যানেলকে বলেন নেতানিয়াহু।

 

কথিত ষড়যন্ত্র বা তা বাস্তবায়নের কতটা কাছাকাছি এসেছিল, সে বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য না দিয়েই তিনি বলেন, ‘ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তাই এই নিরাপত্তা কোনো বিলাসিতা নয়।’

 

তিনি তার কোন ছেলের কথা বলছিলেন তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট ছিল না। নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ইয়ার মিয়ামিতে থাকেন। এই অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে অবস্থিত ইরানের মিশন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

 

নেতানিয়াহু আরও বলেছেন যে, তিনি শিন বেট নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান ডেভিড জিনিকে জানিয়েছেন যে যেকোনো প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর জন্য যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত। এর আগে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছিল যে, জিনি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিরাপত্তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এবং দেশের নির্বাচন কর্তৃপক্ষকে বলেছেন, তাদের ক্ষতি করার কোনো ষড়যন্ত্র ছিল না।

 

সূত্র: রয়টার্স

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন