যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে বিশ্বের বেশ কয়েকটি শীর্ষ তেল কোম্পানি সাময়িকভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহী আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের জাহাজগুলো আপাতত যাত্রা করবে না।
উল্লেখ্য, এই নৌপথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পরিবাহিত হয়। এই অচলাবস্থার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের তীব্র আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইরানি বাহিনীর প্রতিশোধমূলক হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনের বিভিন্ন এলাকা। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী- মানামা (বাহরাইন): অন্তত দুটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দোহা (কাতার): একাধিক বিস্ফোরণের ঢেউ বা কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আবুধাবি (ইউএই): স্থানীয় বাসিন্দারা বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মূলত মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করেই ইরান এই পাল্টা হামলা চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আক্রান্ত দেশগুলোর স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং অনেক এলাকায় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডিবিসি/এসএফএল