পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। বর্তমানে বিশ্ব গণমাধ্যমের আগ্রহের কেন্দ্রে এই সংলাপ। উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠককে কেন্দ্র করে জোরদার করা হয়েছে ইসলামাবাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শনিবার (১১ এপ্রিল) এ শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা।
প্রতিনিধিদলে কে বা কারা থাকবেন, তারা কখন ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন কিংবা কীভাবে আলোচনা হবে—এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ইসলামাবাদে সরকারি ভবন ও বিভিন্ন দূতাবাস থাকা রাজধানীর ‘রেড জোন’ এলাকা সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও এখন তা সব ধরনের মানুষ ও যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি বন্ধ।
রেড জোনের আশপাশের এলাকাগুলোতে ক্যামেরা হাতে দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের উপস্থিতি চোখে পড়ছে।পাকিস্তান সরকার সাংবাদিকদের জন্য জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টার বরাদ্দ দিয়েছে। এদিকে এরইমধ্যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এয়ার ফোর্স টু-তে করে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
তবে শেষ পর্যন্ত আলোচনা হবে কিনা, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতির অভিযোগ তুলেছে ইরান।
অন্যদিকে যুদ্ধ বিরতির চুক্তিতে লেবানন না থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এনিয়ে কোনো মন্তব্যই করেনি ইসরায়েল। এদিকে চুক্তিভঙ্গের বিষয়ে পরস্পরের দিকে আঙ্গুল তুললেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা আলোচনার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তবে শর্ত পূরণ না হলে কঠোর অবস্থানের হুঁশিয়ারিও এসেছে উভয় পক্ষ থেকেই।
সূত্র: বিবিসি, বাংলা
ডিবিসি/কেএলডি