গত কয়েক ঘণ্টায় ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় নেগেভ মরুভূমির বীরশেবা থেকে শুরু করে একেবারে উত্তরাঞ্চলে নতুন করে বেজে উঠেছে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন। সেই সঙ্গে ভূখণ্ডটিতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র অনুপ্রবেশের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বর্তমান সামরিক কৌশল হলো অনবরত হামলা চালিয়ে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ চাপে রাখা। মূলত ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধকারী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে ফেলাই এখন তেহরানের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ ধারাবাহিক হামলার মধ্য দিয়ে ইরান বিশ্ববাসীর কাছে একটি স্পষ্ট বার্তাও পৌঁছে দিতে চায়। গত এক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে বিমান, যুদ্ধজাহাজ ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে যে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে, এরপরও তেহরানের পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। বরং তারা প্রমাণ করতে চাইছে যে, শুধু ইসরায়েলের ভেতরেই নয়, বরং পুরো অঞ্চল জুড়েই যেকোনো স্থানে অত্যন্ত শক্তিশালী ও কার্যকর হামলা চালানোর পূর্ণ সক্ষমতা এখনো ইরানের হাতে রয়েছে।
তথ্যসুত্র: আলজাজিরা
ডিবিসি/এএমটি