এবার ইরানের অন্তত ৩০টি স্থানে আকস্মিকভাবে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। বিস্ফোরণে শব্দের মাত্রা এতই ছিল যে, যা শোনা গেছে ইরানের রাজধানী তেহরান থেকেও। তবে এ ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোন খবর জানায়নি ইরান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরালের গণমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট। এই হামলাকে ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ (প্রি-এম্পটিভ অ্যাটাক) বলেছে ইসরায়েল।
ইরানের বিভিন্ন সাংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, তেহরানে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তারা খবর পেয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের রিপাবলিক এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের ইসলামি রেভ্যুলেশনারি গার্ড কর্পস সদরদপ্তর।
এদিকে ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের রিপাবলিক এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করা হয়েছে।
জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলার পর পাল্টা কোন হামলা চালায়নি ইরান। তারা আরো জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই। তাকে "নিরাপদ স্থানে" স্থানান্তর করা হয়েছে বলে ইরানি একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন।
খবরে আরো বলা হয়, অভিযানটি কয়েক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং এর সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল কয়েক সপ্তাহ আগে।
হামলার সময় দেশজুড়ে নাগরিকদের সতর্ক করে নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। আইডিএফ জানিয়েছে, এটি একটি সতর্কতা বার্তা, যেন জনগণ প্রস্তুত থাকে এবং ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা থাকলে তারা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে পারে।