আমদানি নির্ভরতা কমাতে দেশের উত্তরাঞ্চলেও পরীক্ষামূলকভাবে ভারতীয় নাসিক এন-৫৩ জাতের আগাম পেঁয়াজ চাষে বড় সাফল্য মিলেছে। রংপুরের মিঠাপুকুরের বড়বালা ইউনিয়নের কৃষক আশিকুর রহমান ৩০ শতাংশ জমিতে এই নতুন জাতের পেঁয়াজ চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
কৃষি বিভাগের নিবিড় তত্ত্বাবধানে মাত্র তিন মাসে প্রতিটি পেঁয়াজের ওজন হয়েছে ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম। গ্রীষ্মকালীন প্রতিকূলতা কাটিয়ে এই ফলন দেখে স্থানীয় অন্য কৃষকরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।
মিঠাপুকুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান হেকিম এবং রংপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, দেশে বাৎসরিক পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২৮ লাখ টন, যার মধ্যে ৫-৭ লাখ টন আমদানি করতে হয়। এই নতুন জাত সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে শুধু দেশের চাহিদাই মিটবে না, বরং ভবিষ্যতে পেঁয়াজ রপ্তানির পথও খুলতে পারে। অসময়ে উৎপাদিত এই ফসল কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে।
ডিবিসি/পিআরএএন