মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সাম্প্রতিক দুটি পোস্ট অত্যন্ত বাগাড়ম্বরপূর্ণ, বেশ দীর্ঘ, বিস্তারিত এবং তাতে চরম হতাশার ছাপ স্পষ্ট।
উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার (জিসিসি) ভুক্ত দেশগুলোর জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি সতর্কঘণ্টা। এই দেশগুলো আশা করেছিল যে, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি আরও দীর্ঘায়িত হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে একটি ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। এর ফলে হয়তো এই অঞ্চলে নতুন ধরনের সম্পর্কের সূচনা হতো, বা অন্ততপক্ষে চলমান এই সহিংসতার অবসান ঘটত।
জিসিসি ভুক্ত দেশগুলোতে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা এই অঞ্চলের অর্থনীতি, বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং এই অঞ্চলগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল ভাবার যে সাধারণ ধারণা— তার ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
কথার লড়াইয়ের দিক থেকে এখানে যে চরম উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টার অর্থ হলো— কোনো রাখঢাক না রেখে ইরানি নৌবাহিনীর সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া। এই জলসীমার উপকূলে থাকা দেশগুলোর জন্য এটি গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে, কারণ তাদের ঠিক পাশেই সম্ভাব্য এই যুদ্ধটি ঘটতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা
ডিবিসি/কেএলডি