পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর (জিসিছি) জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইরান একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কাতার, বাহরাইন এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এই হামলা ও অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৯ মার্চ) কাতারে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তারা সফলভাবে ১৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাতটি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস (Intercept) করতে সক্ষম হয়েছে।
বাহরাইনের রাজধানী মানামায় একটি আবাসিক ভবনে ইরানি হামলায় ২৯ বছর বয়সী এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেশটির অন্যতম বৃহত্তম তেল শোধনাগার 'বাপকো' (BAPCO)-তে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ছবিতে শোধনাগারটি থেকে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা গেছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা নয়টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এই ড্রোনগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাত সীমান্তের কাছে অবস্থিত দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় 'শায়বাহ' (Shaybah) তেল ক্ষেত্রকে লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি এখন ক্রমবর্ধমানভাবে পরিষ্কার যে ইরানের এই আক্রমণগুলোর মূল লক্ষ্য হলো জিজিসি (GCC) অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করা।
সূত্র: আলজাজিরা।
ডিবিসি/কেএলডি