বাংলাদেশ, জাতীয়

এক বছরের মধ্যে চা শ্রমিকরা পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক প্রতিবেদন

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

জনগণের টাকা আর বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “জনগণের টাকা দিয়ে জনগণের জন্যই কাজ করা হবে। দেশের অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা হবে।”

বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চা বাগানের নারী শ্রমিকদের মাঝে 'ফ্যামিলি কার্ড' বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

নির্বাচনি প্রচারণার স্মৃতি চারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আজকে আল্লাহর কাছে আমি হাজারো শুকরিয়া জানাই যে আল্লাহ আমাকে সেই তৌফিক দিয়েছেন, আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। নির্বাচনি প্রচারণার সময় হবিগঞ্জের জনসভা থেকে চা বাগানের নারী শ্রমিকদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলাম। আজকের এই অনুষ্ঠান সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষারই অংশ।"

 

তিনি আরও বলেন, "আজকে হয়তো আমরা সবাইকে কার্ড দিতে পারিনি, কিন্তু ইনশাআল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা সব নারী শ্রমিকসহ চা বাগানের সবার কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।"

 

একই সাথে আগামী এক বছরে দেশের ৪০ লাখ পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার মেগা ঘোষণা দেন তিনি। সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত বাজেটকে যারা গণবিরোধী ও চানাচুরের মতো বলে মন্তব্য করেছেন, তাদের সরাসরি জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, "যেই বাজেটে ৬০টি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, সেই বাজেটকে একটি দল বলে গণবিরোধী বাজেট! জনগণের জন্য যেই বাজেটে সব ব্যবস্থা রেখেছি, তাকে যারা গণবিরোধী বলে, তারা কি কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে? তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না।"

 

তিনি দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, সেটি সংসদের ভেতরেই হোক আর বাইরেই হোক, তাদের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। এই সব দলগুলো দেশে অশান্তি সৃষ্টির সুযোগ পেলে ফ্যামিলি কার্ডের মতো উন্নয়নমূলক কাজগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। তবে জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কেউ নষ্ট করতে পারবে না।

 

মৌলভীবাজার অঞ্চলের উন্নয়নে বিএনপির অতীতের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, "এই মৌলভীবাজারের যতগুলো বড় বড় রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ দেখছেন, খোঁজ করে দেখুন-এগুলো সব বিএনপির আমলে, মরহুম সাইফুর রহমান সাহেবের সময়ে হয়েছিল।"

 

বক্তব্যের শেষাংশে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, "আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা, বাংলাদেশই আমাদের শেষ ঠিকানা।"

 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং হাজারো চা শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। ফ্যামিলি কার্ড হাতে পেয়ে উপস্থিত নারী চা শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

 

ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন