শিক্ষা

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সাতক্ষীরায় ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক, নৈশ ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় রয়েছে।

শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো-আশাশুনি উপজেলার আশাশুনি গোদাড়া নিম্নমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা সদরের সাতক্ষীরা নৈশ বিদ্যালয় (নাইট স্কুল), দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয় এবং শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


আশাশুনি গোদাড়া নিম্নমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জেবুন্নেছা বলেন, এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে মানবিক বিভাগে চারজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। প্রকাশিত ফলাফলে তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।


দেবহাটার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয়ের চিত্র আরও নাজুক। বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী নূর হোসেন জানান, ২০০১ সাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা কোনো বেতন-ভাতা পান না। এ কারণে অনেক শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না।


নূর হোসেন বলেন, কাগজে-কলমে বিদ্যালয়ে আটজন শিক্ষক থাকলেও তাঁদের উপস্থিতি নিয়মিত নয়। বর্তমানে একজন শিক্ষিকা ও একজন হুজুর শিক্ষক বিদ্যালয়ে থাকলেও তাঁরাও নিয়মিত সময় দেন না। তিনি বলেন, বলতে গেলে আমি অফিস সহকারী হিসেবে একাই স্কুলটি দেখেশুনে টিকিয়ে রেখেছি।


তবে গত বছরের ফলাফল তুলনামূলক ভালো ছিল বলে জানান নূর হোসেন। তাঁর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিদ্যালয়টির পাঁচজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে চারজন পাস করেছিল। এবার কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।


সাতক্ষীরা নৈশ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান বলেন, ফলাফলের সঠিক তথ্য এই মুহূর্তে তাঁর জানা নেই। বোর্ড ও অনলাইনভিত্তিক নথি দেখে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।


শ্যামনগরের সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার কারণ জানতে প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।


সাতক্ষীরা জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফলাফলের বিস্তারিত পাঠানো হচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলোর বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে। এরপর প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ডিবিসি/ এসভিএন

আরও পড়ুন