ভারত

এয়ার ইন্ডিয়ার গাঁজাকাণ্ডের পর পাইলটদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

মাঝ-আকাশে ঘটে যাওয়া এক গুরুতর দুর্ঘটনার তদন্তে পাইলটের শরীরে মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়ার পর বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। একটি অভ্যন্তরীণ মেমো অনুসারে, এখন থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার সকল পাইলটের জন্য বাধ্যতামূলক মাদক বা ডোপ টেস্ট শুরু হতে চলেছে। এর আওতায় বাজেট সহযোগী সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের পাইলটদেরও পরীক্ষা করা হবে।

বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী বিমান সংস্থাগুলোকে প্রতি বছর তাদের ফ্লাইট ক্রুদের অন্তত ১০ শতাংশকে দৈবচয়নের ভিত্তিতে মনঃপ্রভাবক পদার্থের জন্য পরীক্ষা করতে হয়। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া মেমোতে জানিয়েছে, নিরাপত্তা মান বজায় রাখতে এবং যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আস্থা ফেরাতে তারা আরও এক ধাপ এগিয়ে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গুরুগ্রাম একাডেমির প্রশিক্ষণ সেশন, ফ্লাইট শেষে ব্রিফিং সেন্টার, অফিস কিংবা পাইলটদের নিজ ঘাঁটি নির্ধারিত স্থানে এই পরীক্ষা পরিচালিত হবে।

 

গত ৪ আগস্ট ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি এয়ারবাস এ৩২০নিও বিমান উড্ডয়নকালে হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা হারিয়ে ফেলে। ওড়িশার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় ঘটে যাওয়া এই আকস্মিক ও তীব্র ঝাঁকুনিতে কমপক্ষে ২৪ জন যাত্রী আহত হন। ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু সদস্য নিয়ে শেষ পর্যন্ত বিমানটি দিল্লিতে নিরাপদে অবতরণ করে। পরবর্তীতে কেবিন ক্রুদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নেমে জানা যায়, ফ্লাইটের ওই ক্যাপ্টেনের শরীরে গাঁজা সেবনের প্রমাণ মিলেছে এবং তিনি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলেন।

 

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও ক্যাম্পবেল উইলসনকে তলব করেছে। 

 

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে একটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিধ্বস্ত হয়ে ২৬০ জন নিহত হওয়ার পর থেকেই টাটা গ্রুপ ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের মালিকানাধীন এই বেসরকারি বিমান সংস্থাটি একের পর এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত তদন্তের মুখোমুখি হচ্ছে।

 

সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন