বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ

কক্সবাজারে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামীসহ শ্বশুর-শাশুড়ি পলাতক

‎কক্সবাজার প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

শনিবার ২০শে জুন ২০২৬ ০৮:১৭:০৯ অপরাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

‎কক্সবাজারের পেকুয়ায় রহস্যজনক মৃত্যুর শিকার এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ী পলাতক রয়েছেন।

‎শনিবার (২০ জুন) দুপুরে পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা মোরারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে নির্যাতন চালিয়ে ওই গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, মৃতের গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চিহ্ন পাওয়া গেলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

নিহত কাজল রেখা (২০) ওই এলাকার বাসিন্দা মো. রাসেল ওরফে রাসেল মিকারের ছেলে রাজিবুল ইসলাম রানার স্ত্রী। তিনি পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোঁয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে।

 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে কাজল রেখার শ্বশুর-শ্বাশুড়ী কান্না করতে করতে ঘরে থেকে বের হয়ে যান। পরে তারা সেখান থেকে সটকে পড়েন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কৌতুহল দেখা দিলে ঘরে ভিতরে সিলিংয়ের সাথে কাজল রেখাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে।

 

নিহতের বাবা জসিম উদ্দিন বলেন, শুক্রবার (১৯ জুন) বিভিন্ন উপহার সামগ্রী নিয়ে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে যাই। এ সময় আমার মেয়ে তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের নানাভাবে নির্যাতনের কথা জানিয়েছিল।

 

নিহতের বাবা জানান, বিয়ের পর থেকে মেয়েকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো। বিভিন্ন সময় কাজল রেখা তার কাছে এসব নির্যাতনের কথা জানাতেন।

 

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনার পর থেকে মৃত্যু হওয়া গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ী পলাতক রয়েছে। মৃতের গলায় ফাঁস জাতীয় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কাজল রেখার সাথে রাজিবুল ইসলাম রানার বিয়ে হয়। বিয়ের ৬ মাসের পার না হতেই শ্বশুর বাড়ি থেকে লাশ হয়ে ফিরতে হয় কাজল রেখাকে।

 

ডিবিসি/এইচএপি  

আরও পড়ুন