কক্সবাজারের রামু উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, দেশীয় বন্দুক ও বিপুল সংখ্যক গুলিসহ ডাকাতদলের এক নারী সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (৭ই জানুয়ারি) সকালে উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইঙ্গাকাটা সামিরাঘোনা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। আটক নারীর নাম জেসমিন সুলতানা রিয়া (২০)। তিনি ওই এলাকার নুর আহম্মদের মেয়ে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, বুধবার ভোরে সামিরাঘোনা এলাকায় এক ব্যক্তির বসতঘরে অপরাধ সংগঠনের উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুদের খবর পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি যৌথ দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ৩-৪ জন দুষ্কৃতকারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও ঘর থেকে জেসমিন সুলতানা রিয়াকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ২টি বিদেশি পিস্তল, ১টি দেশীয় তৈরি বন্দুক, বিভিন্ন ধরনের ৫৫ রাউন্ড গুলি, ৪টি কার্তুজের খালি খোসা, ১টি বন্দুকের বাট ও ১টি খেলনা পিস্তল, ২টি লম্বা দা ও ১টি কাটার উদ্ধার করা হয়।
ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, আটক নারী রামুর পাহাড়ি এলাকা কেন্দ্রিক একটি সক্রিয় ডাকাতদলের সহযোগী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো চিহ্নিত ডাকাত নুরুল আবছার ওরফে 'ল্যাং আবছার' ও আব্দুর রহিম তার হেফাজতে মজুদ রেখেছিল।
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ডিবিসি/এসএফএল