বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ, অপরাধ

কক্সবাজারে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

কক্সবাজার প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

মঙ্গলবার ২৬শে আগস্ট ২০২৫ ০৬:২৭:২৪ অপরাহ্ন
Facebook NewsTwitter NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ছয় বছরের শিশু মাহিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করার মতো লোমহর্ষক ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় একমাত্র আসামি মো. সোলেমানের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৬শে আগস্ট) এই রায় দেওয়ার মাধ্যমে আলোচিত এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটল।

 

এর আগে, কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মোহাম্মদ ওসমাণ গনি এই মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন। রায় ঘোষণার দিন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. সোলেমান আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায় শোনার পর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সোলেমান টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকুল এলাকার মৃত ছৈয়দ করিমের ছেলে।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ সাইরারডেইল এলাকার মোহাম্মদ আতাউল্লাহর মেয়ে এবং দক্ষিণ সাইরারডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী মাহিয়া (৬) ২০২২ সালের ৩০শে নভেম্বর দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে খেলার সময় অপহৃত হয়। এরপর তাকে পাশবিক নির্যাতন ও ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করে দেওয়া হয়। নিখোঁজের কদিন পর পার্শ্ববর্তী পেকুয়া উপজেলার করিয়ারদিয়া এলাকা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

এই ঘটনায় মাহিয়ার বাবা মোহাম্মদ আতাউল্লাহ বাদী হয়ে ২০২২ সালের ৩রা ডিসেম্বর মহেশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন টিটু রায়ের পর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছিলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এমন নৃশংস খুনিকে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত করার ফলে ভবিষ্যতে অপরাধীরা এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করার সাহস পাবে না।

 

ভিকটিমের পিতা আতাউল্লাহ তার মেয়ের হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর হওয়ায় বিচার বিভাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এটিকে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

 

ডিবিসি/এএমটি

আরও পড়ুন