বিজিবি-বিএসএফের নিস্ফল পতাকা বৈঠক

কুষ্টিয়া সীমান্তে শূন্যরেখায় শিশুসহ ১২ জনকে দু'দিনেও নেয়নি কেউ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা সীমান্তে ‘পুশ ইন’ চেষ্টার শিকার ১২ জন শূন্যরেখায় রাত কাটিয়েছেন। ঘটনার দু'দিন পরও দুই দেশের কেউ তাদের নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে প্রথাগত পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোন সমাধান হয়নি।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বাংলাদেশের বিলগাথুয়া সীমান্তের ১৫০ থ্রি এস সাব পিলার সংলগ্ন এলাকায় এই পতাকা বৈঠক হয়।

 

প্রায় ২০ মিনিট ব্যাপী বৈঠকে বিজিবির প্রতিনিধিত্ব করেন ৪৭ বিজিবির সহকারী পরিচালক নুরুল হুদা এবং বিএসএফের পক্ষে ছিলেন রানীনগর ক্যাম্পের এপি সুনীল কুমার যাদব।

 

পতাকা বৈঠকে বিজিবি ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের পুশইনের প্রতিবাদ জানান। পাশাপাশি বিজিবি তরফে কোচিং করা ওই ১২ জনকে ফিরিয়ে নেওয়ার ও দাবী জানানো হয় বিএসএফের প্রতি। তবে বিএসএফ ওই ১২ জনকে পুশইনের কথা অস্বীকার করেছে। তবে তারা বলেছে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থানরত ১২ জনের নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই শেষে তারা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত হলে তাদের ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

 

এর আগে শুক্রবার ভোরে দৌলতপুর উপজেলার নাগপুর ইউনিয়নের চর বিলগাথুয়া সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করাই বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনতার বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে চারজন শিশু চারজন নারী ও চারজন পুরুষ রয়েছে। স্থানীয় বাংলাদেশি গ্রামের লোকজন তাদের খাবার ও খাবার পানি সরবরাহ করছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।

 

কুষ্টিয়ার ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, কোনোভাবেই বিএসএফের এই অপচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না। এর জন্য বিজিবি সদস্যরা সব সময়ের জন্য সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় আছে। স্থানীয় গ্রামবাসীও বিজিবির পাশাপাশি বিএসএফের অপচেষ্টা প্রতিরোধে সমানতালে কাজ করছে।

 

ডিবিসি/এইচএপি  

আরও পড়ুন