কুড়িগ্রামে নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের কাশফুলের গাছ বিক্রি করে লাখ টাকা আয় করছেন স্থানীয়রা। আর কর্মসংস্থান হয়েছে অনেক শ্রমজীবী মানুষের।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটিকে শিল্পে রুপ দিয়ে সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পারলে কৃষি অর্থনীতিতে যোগ হবে নতুন মাত্রা। কুড়িগ্রামের বুক চিরে বয়ে গেছে ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদ। এসব নদ-নদীর ৪ শতাধিক চরের অধিকাংশই ছেয়ে থাকে সাদা কাশফুলে। পানি কমলে জেগে ওঠা চরে জন্মানো কাশগাছ বেড়ে ওঠে কোনো পরিচর্যা ছাড়াই। কাশফুল ঝরে পড়ার পর গাছ কেটে লাখ টাকা আয় করছেন নদী পাড়ের মানুষ।
কাশগাছ বিক্রিতে জমির মালিক লাভবান হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান হয়েছে শ্রমজীবী মানুষের। আকার ভেদে শুকনো কাশগাছের বোঝা বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকায়। প্রতি একর কাশবন থেকে কৃষকের আয় ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাশফুল গাছ স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে রাখতে পারে বড় ভুমিকা। এছাড়া চরে পলি মাটি সংরক্ষণে এই গাছকে ভালো উপায়ও বলছেন তারা। কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মির্জা নাসির উদ্দিন এবং খামারবাড়ী, কুড়িগ্রামের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন এই বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কাশগাছ ব্যবহার করা হয় পানের বরজ ও ঘরের চালসহ বিভিন্ন কাজে। এর বেশ চাহিদা রয়েছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায়।
ডিবিসি/আরএসএল