কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি আদায় করা ওয়াজিব। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি এই ইবাদত পালন করে না, তার ব্যাপারে হাদিস শরিফে এসেছে, যার কোরবানির সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু কোরবানি করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।
কোরবানির জন্য অনেকেই গাভী গরু কিনে থাকেন। ঘটনাচক্রে যদি ওই গাভীর ওলানে দুধ থাকে, তাহলে কি তা পান করা যাবে?
উত্তর হলো- না। কোরবানির পশুর দুধ পান করা যাবে না। যদি কেউ দুধ পান করেই ফেলে, তাহলে ওই দুধের মূল্য পরিমাণ অর্থ গরিবদের সদকা করে দিতে হবে।
এক্ষেত্রে সতর্কতা হলো- যদি বোঝা যায় যে কোরবানির জন্য কেনা গাভীর দুধ দোহন না করলে পশুর কষ্ট হবে না, তাহলে দোহন না করা। প্রয়োজনে ওলানে ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে দেওয়া। এতে দুধের চাপ কমে যায়।9jh
কিন্তু যদি দোহন না করলে পশুটির কষ্ট হবে বলে মনে হয়, তাহলে দোহন করে ওই দুধ সদকা করে দেবে আর নিজে পান করলে তার মূল্য সদকা করবে।