খেলাধুলা, ফুটবল

ক্যাসিমিরোকে দলে নিয়েই তদন্তের মুখে ইন্টার মিয়ামি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার ক্যাসিমিরোকে দলে ভিড়িয়ে নিয়মভঙ্গের অভিযোগের মুখে পড়েছে ইন্টার মায়ামি। এই দলবদলে 'টেম্পারিং' বা নিয়মবহির্ভূত যোগাযোগের অভিযোগ তুলে তদন্ত শুরু করেছে মেজর লিগ সকার (এমএলএস)।

বুধবার (২২ জুলাই)  ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলারকে দলে নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় মায়ামি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়া ক্যাসিমিরোর সঙ্গে ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি করেছে ক্লাবটি। চুক্তিতে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। তবে এই ঘোষণার পরপরই এমএলএস এক বিবৃতিতে জানায়, তারা এই দলবদলে নিয়ম ভাঙার অভিযোগটি খতিয়ে দেখছে। এ সংক্রান্ত সব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না।

মূলত কাসেমিরোকে দলে নেওয়ার অগ্রাধিকারভিত্তিক চুক্তির অধিকার বা 'ডিসকভারি রাইটস' ঘিরেই এই তদন্তের সূত্রপাত। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলতে চাইলে তালিকাভুক্ত কোনো ক্লাব তাকে দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবার আগে চুক্তির অধিকার পায়। প্রতিটি ক্লাব তাদের তালিকায় সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড়ের নাম রাখতে পারে। কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সবার আগে চুক্তির এই অধিকারটি ছিল এলএ গ্যালাক্সির কাছে। ইন্টার মায়ামি জানিয়েছে, তারা এলএ গ্যালাক্সির কাছ থেকেই সেই অধিকার কিনে নিয়েছে। এলএ গ্যালাক্সিও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে কাসেমিরোকে দলে নেওয়ার অধিকার নিয়ে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তাদের সমঝোতা হয়েছে। তবে টেম্পারিং তদন্ত শেষ হওয়ার পরই সেই চুক্তির শর্তগুলো প্রকাশ করা হবে।

 

চলতি বছরের জানুয়ারিতেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন কাসেমিরো। দুই পক্ষের সম্মতিতেই তার চুক্তির মেয়াদ আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইউনাইটেডের হয়ে ১৬০ ম্যাচে ২৬ গোল ও ১৪টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি তিনি একটি ইএফএল কাপ এবং একটি এফএ কাপ জিতেছেন। এর আগে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে পাঁচবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা এবং সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে খেলা এই ব্রাজিলিয়ান তারকা জানিয়েছেন, জয়ের ক্ষুধা এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত আরও উন্নত করার ইচ্ছাই তাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করে।

 

খেলোয়াড় দলে ভিড়িয়ে ইন্টার মায়ামির এমন তদন্তের মুখে পড়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে ২০২১ সালে জুভেন্টাস থেকে ফরাসি মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদিকে দলে নেওয়ার ক্ষেত্রেও নিয়ম ভাঙার দায়ে ক্লাবটিকে ২০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছিল। সেবার ২০০৭ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সিতে ডেভিড বেকহ্যামের যোগ দেওয়ার পর চালু হওয়া 'বেকহ্যাম রুল' অমান্য করে মাতুইদিকে অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল। ফলে মায়ামির দলে নির্ধারিত তিনজনের বদলে কার্যত চারজন ‘ডিজাইনেটেড প্লেয়ার’ হয়ে গিয়েছিল, যাদের বেতন লিগের নির্ধারিত বেতনসীমার মধ্যে ধরা হয় না।

 

ডিবিসি/এফএইচআর

আরও পড়ুন