আন্তর্জাতিক

খামেনির রক্তের প্রতিশোধ নেব: শোকে কাতর ইরানিদের হুঙ্কার!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শোক আর প্রতিশোধের আহ্বানে মুখর হয়ে উঠেছে। তেহরানের ইমামে খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা অনেকেই প্রতিশোধের তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) খামেনি এবং মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিন জনসমক্ষে আনা হয়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, কাচে ঘেরা একটি বিশেষ কফিনে খামেনির লাশ এবং পাশেই তার পরিবারের সদস্যদের কফিন রাখা হয়েছে।

 

ভোর থেকেই গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স এবং আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে এবং অনুষ্ঠান শুরুর আগেই পুরো প্রাঙ্গণ শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়। অনেককে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে এবং মেট্রো স্টেশনে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাতে দেখা গেছে। অনুষ্ঠানস্থলে বহু শোকাহত মানুষ লাল পতাকা বহন করেন, যা ইরানে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এ সময় হাজারো শোকাহত মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং ‘আমেরিকার মৃত্যু’ ও ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান দিয়ে শেষবারের মতো তাদের নেতাকে শ্রদ্ধা জানান।

 

অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া ৪০ বছর বয়সী আরশ রাহিমি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, তারা নিশ্চিতভাবেই খামেনির রক্তের প্রতিশোধ নেবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের রক্তের শত্রুতা রয়েছে, যা কখনোই ভালো হবে না। হামাদান প্রদেশ থেকে আসা হামিদ তিমোরি তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, তার নিজের বাবার মৃত্যুশোকেও তিনি এতটা কাঁদেননি, যতটা সর্বোচ্চ নেতা শহিদ হওয়ার পর কেঁদেছেন।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের আবাসিক ভবনে অবস্থানকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের প্রথম দিন ৮৬ বছর বয়সি খামেনি এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। গত মার্চে তার দাফন হওয়ার কথা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে তীব্র সংঘাতের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতির অবসরে চার মাস পর রাষ্ট্রীয়ভাবে তার এই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
 

সূত্র: সিএনএন

 

ডিবিসি/এফএইচআর

আরও পড়ুন