ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তার ছেলে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রার্থিতায় সারা দেশের দৃষ্টি এখন বগুড়ার দিকে। স্থানীয়রা এই মা-ছেলের প্রার্থীতাকে বগুড়াবাসীর জন্য গৌরব ও আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেড় দশকের বঞ্চনা ঘুচিয়ে বগুড়া উন্নয়নের সিঁড়িতে আরও এক ধাপ এগোবে। স্বাধীনতার পর বগুড়ার মৌলিক উন্নয়নের বেশিরভাগই হয়েছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারের হাত ধরে।
উদাহরণস্বরূপ, ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বগুড়ার বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজ (তৎকালীন বগুড়া মডেল স্কুল) স্থাপনে বিশেষ অবদান রাখেন তারেক রহমান। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি এবং শতভাগ পাসের হারে জেলার শীর্ষে থাকে।
স্থানীয়রা জানান, শুধু শিক্ষা নয়, বেগম খালেদা জিয়ার আমলে বগুড়ার সব উন্নয়ন কাজই তদারকি করতেন তারেক রহমান। সেসময় উন্নয়নের জন্য বগুড়াবাসীকে কখনো রাজপথে নামতে হয়নি।
প্রবীণরা তারেক রহমানের এই ছুটে চলা এবং উন্নয়ন তদারকির মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছায়াই খুঁজে পান বলে জানান। বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান এবং প্রবীণ সাংবাদিক মতিউল ইসলাম সাদী এই উন্নয়নের স্মৃতিচারণ করেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), বগুড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম তুহিন বলেন, আওয়ামী লীগের সময়ে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বগুড়াকে অবহেলা করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বগুড়ার এই বঞ্চনা আর থাকবে না।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা জানিয়েছেন, দুটি আসনেই সর্বোচ্চ ভোটে জয়ের লক্ষ্যে তারা মাঠে নেমেছেন এবং জনগণের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বগুড়া-৬ আসনে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোটে জয়ের রেকর্ড করেন বেগম খালেদা জিয়া। এবার সেই আসনে প্রার্থী হয়েছেন তারেক রহমান এবং বগুড়া-৭ আসনে প্রার্থী হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া।
ডিবিসি/এএমটি