সুদানের আধা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস দেশটির উত্তর দারফুর প্রদেশের রাজধানী এল-ফাশেরে গণকবর খুঁড়ছে। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মার্কিন গবেষক অভিযোগ করেছেন, এল-ফাশেরের দখল নেওয়ার পর আরএসএফ শহরটিতে হওয়া গণহত্যার চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য মৃতদেহ সংগ্রহ করছে।
ইয়েল স্কুল অব পাবলিক হেলথের হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাব-এর নির্বাহী পরিচালক নাথানিয়েল রেমন্ড গত মঙ্গলবার (৪ঠা নভেম্বর) আল জাজিরাকে জানান, আরএসএফ শহরের সর্বত্র গণকবর খোঁড়া এবং মৃতদেহ সংগ্রহ করা শুরু করেছে।
রেমন্ড বলেন, তারা গণহত্যা পরিষ্কার করছে।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে আরএসএফ সুদানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে দেশজুড়ে ক্ষমতার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৬শে অক্টোবর আরএসএফ উত্তর দারফুর রাজ্যের রাজধানী এল-ফাশেরের নিয়ন্ত্রণ নেয়, যখন সুদানি সামরিক বাহিনী (এসএএফ) সেখান থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
জাতিসংঘের মতে, আরএসএফের দখলের পর থেকে শহর এবং এর আশেপাশের এলাকা থেকে ৭০,০০০-এরও বেশি মানুষ পালিয়ে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো এই সময়ে "সংক্ষিপ্ত বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড", যৌন সহিংসতা এবং বেসামরিক নাগরিকদের গণহত্যার ঘটনা রিপোর্ট করেছে।
ইয়েলের হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাব-এর ২৮শে অক্টোবরের একটি রিপোর্টেও আরএসএফ এল-ফাশেরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড-এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। স্যাটেলাইট চিত্রেও রক্তের আপাত জমাট বাঁধা দাগ দৃশ্যমান ছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিবিসি/এমইউএ